চরম জলবায়ু ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি: ঢাকা শহরের প্রেক্ষাপট

চরম জলবায়ু ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি: ঢাকা শহরের প্রেক্ষাপট

ফন্ট সাইজ:

এই গবেষণায় ঢাকা শহরের চরম জলবায়ু-জনিত পরিবেশগত এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিমূলক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই বিশ্লেষণে ল্যান্ড সারফেস টেম্পারেচার (এলএসটি), ভূমি ব্যবহার পরিবর্তন, বায়ু মান, জলবায়ুর চরম পরিস্থিতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ডাটা ব্যবহার করা হয়েছে। ল্যান্ডস্যাট এবং সিএমআইপি৬ স্যাটেলাইট ডাটাসেটের পাশাপাশি বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জলবায়ু ডাটা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উপর প্রাথমিক জরিপের ফলাফলও এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-সংবেদনশীল দেশগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, দূষিত বায়ু এবং দ্রুত নগরায়ন ধীরে ধীরে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে । দ্রুত নগরায়ন শহরে শহুরে তাপ দ্বীপ (Urban Heat Island, UHI) এর প্রভাব বৃদ্ধি করেছে, যার ফলে ঢাকা শহরের স্থানীয় তাপমাত্রা আশেপাশের গ্রামীণ অঞ্চলের মাপমাত্রার তুলনায় বেশি। এই বৃদ্ধি নগরের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে তৈরি করছে, বিশেষ করে যারা নগরের দুর্বল ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর। শহুরে তাপ দ্বীপ পরিস্থিতি ডেঙ্গুর মতো ভেক্টর-জন্মিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ায়, কারণ উষ্ণ মাইক্রোক্লাইমেট মশার প্রজননের জন্য উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে।
ল্যান্ড সারফেস টেম্পারেচার (LST), ভূমি ব্যবহার ও আচ্ছাদন, বায়ু মান এবং ঐতিহাসিক তাপমাত্রার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা ঢাকা শহরের চরম জলবায়ুজনিত-স্বাস্থ্য সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতের ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য সিএমআইপি৬ মডেল অনুযায়ি ২০০৬–২১০০ সময়ের ঢাকা শহরের প্রজেক্টেড সর্বাধিক ও গড় তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণা অনুযায়ি, ২০০০ থেকে ২০২৫ সাল, এ ২৫ বছরের মধ্যে ঢাকা শহরের বিল্ট আপ এলাকা বা নির্মিত এলাকা ২৩.৪ শতাংশ থেকে ৪০.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে, সবুজ এলাকা ২৭.৯ শতাংশ থেকে ২১.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, এবং খালি জমি ১৭.৭ শতাংশ থেকে ৫.৮ শতাংশ কমেছে । এই দ্রুত নগর সম্প্রসারণ শহরের তাপমাত্রা এবং জলবায়ু চাপ বাড়িয়েছে, যেখানে নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ঝুঁকিতে পড়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ১৯৮০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ঢাকার গ্রীষ্মের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার রিগ্রেশন সমীকরণ হচ্ছে = ০.০২৩৪ী + ৩৩.৫৮৭। এর মানে প্রতি বছর ঢাকা শহরের তাপমাত্রা প্রায় ০.০২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সিএমআইপি৬ মডেল এর ফলাফল অনুযায়ি, ঢাকায় তাপমাত্রার ক্রমেই অধিক উষ্ণ হয়ে উঠছে। প্রতি বছর গড়ে সর্বাধিক তাপমাত্রা প্রায় ০.০২৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে ঢাকায় গরম দিনের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। একই সঙ্গে শহরের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস-এর আশেপাশে অবস্থান করলেও এটিরও একটি সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অপরদিকে, গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রতি বছর প্রায় ০.০২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা রাতের সময় তাপমাত্রা উষ্ণ হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয় এবং নগর তাপদ্বীপ (UHI) প্রভাবকে আরও তীব্র করছে।
অন্যদিকে, ঢাকায় অতিরিক্ত গরম দিন (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর বেশি) এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নগরবাসীর জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, গত ৩০ বছরে অতিরিক্ত গরম দিনের সংখ্যা প্রায় ৯৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিকট ভবিষ্যতে (২০২০-২০৫০) প্রতি বছর প্রায় ৪০–৮০ দিন অতিরিক্ত গরম থাকার আশঙ্কা রয়েছে, যেখানে গরম আরও দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হবে। মধ্য শতাব্দীতে (২০৫০–২০৭০) এই প্রবণতা আরও তীব্র আকার ধারণ করবে এবং বর্তমান সময়ের তুলনায় গরম দিনের সংখ্যা প্রায় ১.৫৩ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে, পাশাপাশি গড় তাপমাত্রা আরও প্রায় ২–৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে। দীর্ঘমেয়াদি প্রক্ষেপণে, আগামী ২০৮০-২১০০ সালে প্রতি বছর ১০০ দিনেরও বেশি সময় অতিরিক্ত গরম অবস্থা বিরাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিপজ্জনক তাপমাত্রা ও দীর্ঘতর তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত দেয়। এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, শহুরে তাপ দ্বীপ প্রভাব এবং ঢাকায় বিদ্যমান উচ্চ আর্দ্রতা একত্রে কাজ করছে।
স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ (ল্যান্ডস্যাট ৫ টিএম + ল্যান্ডস্যাট ৮ ঙখও এবং ঞওজঝ) দেখায়, গত তিন দশকে ঢাকা শহরের ল্যান্ড সারফেস টেম্পারেচার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৯০ সালে ল্যান্ড সারফেস টেম্পারেচারের ব্যাপ্তি ছিল ২১.৯২–৩২.৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, প্রধানত পুরান ঢাকা, মতিঝিল ও তেজগাঁও এ সীমিত ছিল; উত্তরাঞ্চলের জলাভূমি তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা ছিল। ২০১০ সালে এ তাপমাত্রা মাঝারি (২০.৪৫–৩১.৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ছিল, কিন্তু মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও বাড্ডার দিকে গরম ছড়িয়েছে। ২০২৫ সালে ল্যান্ড সারফেস টেম্পারেচার নাটকীয়ভাবে ২৭.৩৭–৪৫.৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যার ফলে উত্তরা, বসুন্ধরা, মিরপুর ও ভাটারা এলাকায় স্থায়ী উচ্চ-গরম অঞ্চল তৈরি হয়েছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেলে, এই অতিরিক্ত গরম মানুষকে তাপপ্রবাহ, পানিশূন্যতা, হৃদযন্ত্রের চাপ এবং মৃত্যুর ঝুঁকিতে ফেলে, বিশেষ করে প্রবীণ জনগোষ্ঠী ও বহিরঙ্গন শ্রমিকগণ এর মধ্যে পড়ে।
শহরে তাপ দ্বীপের মানচিত্র ও বস্তি লোকেশনের মানচিত্র ওভারলেড করে বিশ্লেষণ করার ফলে দেখা গেছে, মোট বস্তি এলাকার প্রায় ৪৪% অতিরিক্ত তাপ প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত।
বিশ্বব্যাংকের (২০২৫) তথ্যানুযায়ী, ঢাকা শহরের প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন মানুষ বস্তিতে বসবাস করেন। এর মধ্যে প্রায় ৪৪% অর্থাৎ ১.৫৪ মিলিয়ন মানুষ গ্রীষ্মের চরম তাপের (৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি) সংস্পর্শে থাকেন। খারাপ আবাসন, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং সীমিত সবুজ এলাকা তাপ চাপকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
উপরন্তু, অপর্যাপ্ত পানীয় ও স্যানিটেশন সুবিধা তাপ-সম্পর্কিত স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়ায়। আইসিডিডিআর,বি এর তথ্যানুসারে, গরমকালে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রতিবছর বস্তি এলাকায় ডায়রিয়ায় প্রায় ৮৩% মানুষ প্রভাবিত হন, যার মধ্যে ৩৮% বেশি ডায়রিয়া রোগে ভোগেন। এছাড়াও, আইসিডিডিআর,বি এর মতে, ১.৫–২ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণায়নের ফলে হাসপাতালে ভর্তি বৃদ্ধির সম্ভাবনা সাধারণ ক্ষেত্রে ৪.৫–৭.৪% এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ৫.৭৯.৪% পর্যন্ত হতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তন এবং নগরায়ন ঢাকার আরবান হিট আইল্যান্ডের প্রভাব আরও বাড়াচ্ছে, যা তাপ-সম্পর্কিত রোগ, ভেক্টর-জন্মিত রোগ এবং মানসিক চাপ বৃদ্ধি করছে। সবুজ ও জলাভূমি হ্রাসের কারণে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় এলাকাগুলি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ তাপ অঞ্চল হয়ে গেছে। জলবায়ু-সংবেদনশীল নগর পরিকল্পনা, সবুজ অবকাঠামো এবং বিশেষ জনস্বাস্থ্য প্রচারণা জরুরি।
ঢাকা শহরের বস্তিবাসিদের ওপর তাপদ্বীপের প্রভাব মূল্যায়ন করতে শহরের তাপ প্রবণ এলাকার ৮টি বস্তি দৈবচয়ন করে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই বস্তি থেকে ৩৮৫ জন পরিবার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। এই জরিপের মাধ্যমে শহরের অতিরিক্ত তাপের প্রভাব এবং বস্তি এলাকায় বসবাসকারীদের বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে।
মাঠ জরিপে দেখা গেছে, বস্তিতে বসবাসরত বহিরঙ্গন শ্রমিকদের ওপর চরম তাপের প্রভাব বা চাপ অত্যন্ত তীব্র। ৭৮% শ্রমিক প্রতিদিন ৭ ঘণ্টার বেশি সময় কাজ করেন, আর তাদের ৬০%-এর বেশি দুপুর ১২–৩টার মধ্যে চরম তাপে কাজ করেন। রাস্তার বিক্রেতা (৩৮%) ও রিকশাচালক (৩৭%) সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, এবং এদের মধ্যে মাত্র ২২% শ্রমিক ছায়া পান।
শারীরিক ও মানসিক প্রভাবও স্পষ্ট। প্রায় ৮৫% শ্রমিক মাথাব্যথা, ঘাম, ক্লান্তি, পানিশূন্যতা ও তাপপ্রবাহের শিকার, ৭৭% শ্রমিকের কাজের সক্ষমতা কমে গেছে, ৯০% শ্রমিকের মনোযোগে হ্রাস উল্লেখ করেছেন এবং ৮৫% শ্রমিকের ঘুম ব্যাহত হয়। দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবও গভীর; ৪০% শ্রমিক ৭ বছরের বেশি সময় ধরে এই কঠিন পরিবেশে কাজ করছেন।
তবে সচেতনতা ও নিরাপত্তার অভাব বড় সমস্যা। মাত্র ২৪% শ্রমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন, ৬৬% তাপ সংক্রান্ত সচেতন নন, এবং ৮৪% কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পাননি। এই পরিস্থিতি নির্দেশ করে, ঢাকা শহরের বস্তি শ্রমিকদের গ্রীষ্মকালীন চরম তাপের চাপ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি অত্যন্ত গুরুতর। যথাযথ সচেতনতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে স্বাস্থ্য সমস্যার মাত্রা আরও বাড়তে পারে।
এই চরম পরিস্থিতির মোকাবিলায় অভিযোজনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি, যা ঢাকা শহরের তাপদ্বীপ ও জলবায়ু-সংক্রান্ত ঝুঁকি কমাতে সরকারের নীতি এবং বিএনপি’র ৩১-পয়েন্ট কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নগর পরিকল্পনা ও জনস্বাস্থ্য নীতি একত্রিত না হলে, চরম তাপ এবং জলবায়ু ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাবে।
প্রথমত, শহরে সবুজ এলাকা ও জলাভূমি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। পার্ক, জলাভূমি ও জলাশয় নির্মাণের মাধ্যমে তাপমাত্রা হ্রাস, বায়ুর মান উন্নয়ন এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। এটি বিএনপি’র ৩১-পয়েন্ট কর্মসূচির “পরিবেশ বান্ধব নগরায়ণ ও জলবায়ু নিরাপত্তা” নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
দ্বিতীয়ত, অতিমাত্রা তাপ ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পরিকল্পনা কার্যকর করা অত্যন্ত জরুরি। সতর্কবার্তা, শীতলকেন্দ্র স্থাপন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার পদক্ষেপগুলো সরকারের “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা” নীতির সঙ্গে মিলে যায়। এটি শহরের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী যেমন বস্তি, শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তৃতীয়ত, বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বস্তি সহনশীলতা প্রোগ্রাম চালু করা অপরিহার্য। শিল্প ও পরিবহন থেকে নিঃসরণ হ্রাস এবং বস্তি এলাকায় স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা ও জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধি করে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে রোগ ও চরম পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্ষম করা যায়। এটি সরাসরি সরকারের “শহর ও জনপদ সুস্থায়ন” এবং বিএনপি’র ৩১-পয়েন্ট কর্মসূচির “দুর্যোগ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি হ্রাস” নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অতএব, সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী ঢাকা শহরের নিম্ন-আয়ের জনগোষ্ঠীকে অতিরিক্ত তাপ থেকে রক্ষা করার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি


লেখক: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর জিওইন্টেলিজেন্স পলিসি সাপোর্ট।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন