চোটের কারণে সবশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারেননি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজেও থাকছেন না টাইগার অধিনায়ক। লঙ্কা প্রিমিয়ার লীগে (এলপিএল) অংশ নিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছুটি নিয়েছেন তিনি। লিটনের জায়গায় বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন তাওহীদ হৃদয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে জয়ের স্বাদ না পাওয়া হৃদয়ের সামনে এবার প্রথম জয় ছিনিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ।
ঘোষিত টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের সবচেয়ে বড় চমক দীর্ঘ বিরতির পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বির প্রত্যাবর্তন। ২০২২ বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণের ক্রিকেটে আর দেখা যায়নি মোসাদ্দেককে। ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফরম্যান্স এবং অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ওয়ানডেতে ভালো করার পুরস্কার পেলেন এই অলরাউন্ডার।
অন্যদিকে ফিনিশার বা লোয়ার-মিডল অর্ডারে বড় শট খেলার দক্ষতার খোঁজে বিসিবি আস্থা রেখেছে ইয়াসির রাব্বির ওপর। বিপরীতে, টানা সুযোগ পেয়েও নিজেদের মেলে ধরতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সৌম্য সরকারকে। সবশেষ সিরিজগুলোয় শামীমের ব্যাট ছিল নিষ্প্রভ। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার স্পষ্টই জানিয়েছেন, শামীমের অফ-ফর্মই মোসাদ্দেকের জন্য দুয়ার খুলে দিয়েছে। বাদ পড়েছেন সৌম্য সরকারও। তবে দলে জায়গা ধরে রেখেছেন অফ-ফর্মে থাকা সাইফ হাসান এবং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। এছাড়া পেস অলরাউন্ডার হিসেবে স্কোয়াডে ফিরেছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
এলপিএলের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছেন তাসকিন আহমেদও। এ দুজন ছাড়া এলপিএলে সুযোগ পাওয়া অন্যরা সেখানে খেলতে যাবেন জিম্বাবুয়ে সফরের পর। বাংলাদেশের সিরিজ চলাকালীন অনুষ্ঠিত হবে লঙ্কান ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটি। একই টুর্নামেন্টে খেলবেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও। বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে গড়াতে যাওয়া এই তিন ম্যাচের সিরিজের লড়াইগুলো অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫, ১৭ ও ১৯শে জুলাই। প্রতিটি ম্যাচই বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৪টায় শুরু হবে।
বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল: তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবদুল গাফফার সাকলাইন।
