চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করা একটি মাছ ধরার ট্রলারের ইঞ্জিন রুমে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয় নাবিকের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় নেয়ার পথে এফবি দেশ নামের ওই ফিশিং ট্রলারের দুই গ্রিজার রুবেল ও শাহ আলমের মৃত্যু হয়। অপর একজন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রুবেলের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা এবং শাহ আলমের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। গতকাল সকালে নিজ নিজ এলাকায় জানাজা শেষে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ফিশিং ট্রলার এফবি দেশের ক্যাপ্টেন জুবায়ের মাহমুদ জানান, অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়া হচ্ছিল।
রাতেই পথে রুবেল ও শাহ আলম মারা যান। পরে পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি জানান, দগ্ধ ক্যাডেট ইঞ্জিনিয়ার আশিকুজ্জামান তামিম বর্তমানে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
অপর তিনজন- উইঞ্চ অপারেটর নিজাম উদ্দিন, ডুবুরি রাসেল এবং নাবিক সিদ্দিক আহমেদ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শরীফ বলেন, জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি জিডি নিয়েছি। যেহেতু সাগরের বিষয়, সেটা নৌ পুলিশকে পাঠানো হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে জানাবেন। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট এলাকার সাম্পানঘাট মুরিংয়ে নোঙর করা এফবি দেশ ট্রলারের ইঞ্জিন রুমে হঠাৎ বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয়।
