৪০ বছর পর মেক্সিকোর নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পাওয়ার অনেকটা কৃতিত্ব রাউল হিমিনেজের। ইকুয়েডরের বিপক্ষে তার করা দ্বিতীয় গোলটির পুরো কৃতিত্বই তাকে দেয়া যায়। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল বুক চিতিয়ে থামালেন, তবে চলে গেল প্রতিপক্ষের কাছে।
ভাগ্যের দারুণ এক আশীর্বাদে আবার তার কাছেই বল পাঠালো ইকুয়েডর। আর ভুল নেই। প্রথম গোলদাতা কিনিওনেসের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে বুলেট গতির শটে জাল কাঁপালেন হিমিনেজ। গোলকিপার যে ডাইভ দিতে পেরেছেন, সে-ই তো বেশি!
