পুলিশের পোশাকের রং নয় মনোবল পেশাদারিত্বের উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ

পুলিশের পোশাকের রং নয় মনোবল পেশাদারিত্বের উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ

ফন্ট সাইজ:

পুলিশ বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন। সংগঠনটি বলেছে, পোশাকের রং বা নকশা নয়—পুলিশ সদস্যদের মনোবল, মানসিকতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়নই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী খাকি পোশাক পরিবর্তনের আগে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই প্রয়োজন। সোমবার রাতে পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৩-২০০৪ সালে তৎকালীন সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশের ইউনিফর্ম নির্ধারণ করেছিল। ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে প্রজ্ঞাপন হয়। আর ১০ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়। সে সময় পুলিশ সদস্যদের গায়ের রং, দেশের আবহাওয়া, দিন ও রাতের ডিউটিতে সহজে চিহ্নিত হওয়ার বিষয় এবং অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সাদৃশ্য এড়ানোর দিকগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি যে নতুন পোশাক নির্বাচন করেছে, সেখানে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মতামত, গায়ের রং ও আবহাওয়াগত বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। পাশাপাশি অন্যান্য ইউনিফর্মধারী সংস্থার সঙ্গে সাদৃশ্য থাকায় পুলিশ সদস্যদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরও দাবি করেন, বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য তড়িঘড়ি করে নেওয়া এ সিদ্ধান্তের পক্ষে নন। তাদের মতে, বর্তমান পোশাক বাংলাদেশ পুলিশের ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় সব পুলিশ সদস্য বর্তমান ইউনিফর্ম পরেই দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পেশাদারিত্ব দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এছাড়া ইউনিফর্ম পরিবর্তনকে ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া উল্লেখ করে সংগঠনটি বলেছে, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ খাতে বিপুল অর্থ ব্যয় না করে বাহিনীর আধুনিকায়ন, থানা পর্যায়ে যানবাহন সরবরাহ এবং লজিস্টিক সহায়তা বাড়ানো বেশি যৌক্তিক হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণা ও জনমত যাচাই করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত এবং পুলিশ সদস্যদের আবেগ ও বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।

Ismaeel

৪ মাস আগে

তাহলে পুলিশের পোশাক চেঞ্জ করার কথা আসতেছে কেন ? মনোভাব চেঞ্জ করেন জনগণের জন্য কাজ করেন। আওয়ামী আমলের মতো দলের সেবা বন্ধ করতে হবে এবং দলীয় ভাবে নিয়োগ দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

বাহাউদ্দীন বাবলু

৪ মাস আগে

বিষয়টি সাথে এরকম। বর্তমান যে পোশাক পুলিশের জন্য চালু করেছে এই পোশাকে দায়িত্ব পালন কালীন জনগণ আর পুলিশের মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায় না বিশেষ করে ভীড়ের মধ্যে।

মোঃ আতাউর রহমান

৪ মাস আগে

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন। আপনাদের আচরণ ট্রেড ইউনিয়নের মত। ট্রেড ইউনিয়ন আপনারা করতে পারেন না। আমাদের সংবিধান কোন বাহিনীকে ট্রেড ইউনিয়ন করার অনুমতি দেয়নি।

farid khan

৪ মাস আগে

of course change the police dress.... now they're using as like a security guard dress...
poshak manusher smart barai... nutun poshak ba sondor color poshak sorire furtti Anne...

Ins Monir

৪ মাস আগে

দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।

মন্তব্য করুন