বিশ্বকাপে চমক দেখাচ্ছে আফ্রিকার দেশগুলো। গ্রুপ পর্বে এ অঞ্চল থেকে অংশ নেয়া ১০ দলের ৯টি জায়গা করে নিয়েছে সেরা বত্রিশে। এ তালিকায় মরক্কো যেমন আছে, তেমন প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দেও রয়েছে। আফ্রিকার দেশগুলো ভেঙে দিয়েছে ১২ বছরের পুরোনো রেকর্ড। আফ্রিকার ফুটবলে এর আগে এমন সাফল্য দেখা যায়নি। এর আগে ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে আফ্রিকার মাত্র দু’টি দল (আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়া) নকআউটে উঠেছিল। ১২ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে এবার ইতিহাস গড়লো আফ্রিকান দলগুলো। গ্রুপ পর্বের ১৭ দিনের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করেছে মরক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট, ঘানা, মিশর, আলজেরিয়া, কঙ্গো এবং কেপ ভার্দে। শুধুমাত্র তিউনিশিয়া গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে চমক দেখিয়েছিল মরক্কো।
এবারও তারা দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে, ইতিমধ্যেই ব্রাজিলের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে দলটি। এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় বিস্ময় উপহার দিয়েছে কেপ ভার্দে। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেই ‘ব্লু শার্কস’রা করেছে অসাধ্য সাধন। স্পেন, উরুগুয়ে এবং সৌদি আরবের মতো বড় দলকে রুখে দিয়েছে তারা। অপরাজিত থেকে পা রেখেছে নকআউটে।
১৯৯৮ সালের চিলির পর এই প্রথম কোনো দল একটিও ম্যাচ না জিতে নকআউটে খেলার নজির গড়লো। এই সাফল্যের অন্যতম কারিগর তাদের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিহা। নকআউটে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। কঙ্গোও তাদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে। দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। শেষ বত্রিশে তাদের সামনে শক্তিশালী ইংল্যান্ড।
