প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ‘যাকাত’ শব্দের কোনো উল্লেখ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। তিনি সুদভিত্তিক অর্থনীতির তীব্র সমালোচনা করে দেশে যাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালুর দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল এবং মদ-বিড়ি নিষিদ্ধের দাবি জানান তিনি। এছাড়া ‘যাকাত মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
বক্তব্যের শুরুতে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, কেউ যখন বিজয় লাভ করে, তখন তার দায়িত্ব হলো আল্লাহর প্রশংসা করা ও নিজের গুনাহর জন্য মাফ চাওয়া। কিন্তু সংসদে অনেকেই আল্লাহর প্রশংসা না করে সরাসরি নেতানেত্রীর বন্দনায় মেতে উঠেছেন, যা আল্লাহর নির্দেশের সরাসরি লঙ্ঘন।
অর্থমন্ত্রীর দেয়া প্রস্তাবিত বাজেটের সমালোচনা করে জামায়াতের এই আইনপ্রণেতা বলেন, বাজেটে অপচয় রোধের কথা বলা হলেও যাকাতের কথা নেই। নামাজ কায়েম ও যাকাত চালুর মাধ্যমে মানুষের চরিত্র ঠিক হয় এবং ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর হয়। অথচ বাজেটে ‘যাকাত’ শব্দটি উচ্চারণও করা হয়নি।
সুদের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সুদ খাওয়া ৩৬ বার জেনা করার চেয়েও জঘন্য অপরাধ। সুদের কারণে অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যায়। যারা সুদভিত্তিক অর্থনীতি পরিচালনা করে, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ ও তার রাসূলের যুদ্ধের ঘোষণা রয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এখন ইসলামী ব্যাংকিং চালু হচ্ছে।
