সদর উপজেলার কুহালং এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের টেন্ডার সম্পন্ন হওয়ার চার মাস পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরু হয়নি। ফলে বর্ষা মৌসুমে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৬ মিটার দৈর্ঘ্যরে একটি আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণের জন্য প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় আবছার কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এলজিইডি ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০২৬ সালের ১২ই মার্চ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ২০২৭ সালের ৫ই মে কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে চুক্তির চার মাস অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত নির্মাণ কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা ক্যশৈমং মারমা বলেন, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা এলেই চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিদিনই মানুষ দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। কিন্তু কাজ শুরু না হওয়ায় আমরা চরম ভোগান্তিতে আছি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং সংশ্রিষ্ট দপ্তরের তদারকির অভাবের কারণেই কাজ শুরুতে বিলম্ব হচ্ছে। কুহালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংপু বলেন, কুহালং সেতুর কাজ শুরু না হওয়ায় হাজারো মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাচেছ।
ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই সময় দুর্ঘটনা ঘটছে। এলজিইডি’র বান্দরবান নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন, ক্যামলং ব্রিজটিতে অত্যন্ত উন্নতমানের (পিএইচএসসি) চৎবংঃৎবংংবফ ঐরময ঝঃৎবহমঃয ঈড়হপৎবঃব ঢ়রষব. পাইলিং করা হবে। এ কাজে ব্যবহৃত উপকরণগুলো চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হবে। সে কারণে কিছুটা সময় লাগছে। তারপরও আমরা ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য নির্দেশনা দেবো।
