কলকাতায় সোহরাওয়ার্দী সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী: রিজভী

কলকাতায় সোহরাওয়ার্দী সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী: রিজভী

ফন্ট সাইজ:

কলকাতায় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে থাকা সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী কাজ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, কলকাতায় অবিভক্ত বাংলার শেষ প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামে একটি সড়ক ছিল। সেই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা নেতাদের একজন এবং মরহুম শেখ মুজিবের সরাসরি নেতা হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী নেতা ও তাদের বুদ্ধিজীবীরা এ বিষয়ে নিশ্চুপ। কলকাতায় উপমহাদেশের একজন খ্যাতিমান নেতার নামে থাকা একটি সড়কের নাম পরিবর্তন করা রুচিবিরোধী কাজ। কিন্তু বাংলাদেশে ভারতের বিভিন্ন নেতার নামে প্রতিষ্ঠানের নাম এখনো বহাল রয়েছে এবং বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে শিষ্টাচারের পরিচয় দিয়েছে।

চীনের শিল্প, অবকাঠামো ও সেবা খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলার মত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে দু’দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। আর চীনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে বিশ্বনেতারা যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তার বক্তব্য এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা।

চীন অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে না উল্লেখ করে রিজভী বলেন, অতীতে একমুখী পররাষ্ট্রনীতির পরিবর্তে এখন বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে বহুমুখী পররাষ্ট্রনীতির সূচনা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই ধারাই অনুসরণ করছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রেখে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের যে নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, বর্তমান কূটনৈতিক কার্যক্রমে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

চীন সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং দেশটির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করবে বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।
মুদির দোকানকে ভ্যাটের আওতায় আনার বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ছোট ছোট মুদির দোকানের আয় খুবই সীমিত। তাই তাদের ভ্যাটের আওতায় আনা উচিত হবে না। তবে যারা কর দেয়ার সক্ষমতা রাখেন, কিন্তু বিভিন্ন কারণে করের বাইরে থেকে যাচ্ছেন-তাদের করের আওতায় আনার উচিত।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন