সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান বিশ্বে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) একটি নীরব কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মানুষ, প্রাণী এবং পরিবেশ- এই তিনটি ক্ষেত্রই এএমআরের প্রভাবে আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার রোগ-জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়; বরং নিরাপদ, টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন নিশ্চিত করা।
এজন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, সচেতনতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা। এএমআর মোকাবিলায় গবেষণা, সঠিক নীতি বাস্তবায়ন এবং কৃষক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। বুধবার সিকৃবি’র মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের উদ্যোগে ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এন্ড মডার্ন ফার্মিং’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালার কো-অর্ডিনেটর এবং মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মৌসুমী পুরকায়স্থর সঞ্চালনায় এবং কোর্স ডিরেক্টর প্রফেসর ড. সুলতান আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিকৃবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. আবুজাফর ফেরদৌস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শামসুজ্জামান এবং ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এস.এম. মাহবুব প্রমুখ। কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, স্থানীয় পশু চিকিৎসক ও খামারিবৃন্দ।
