বিশ্বকাপে নবাগত কুরাসাওয়ের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। জার্মানির কাছে ৭ গোল হজম করা দলটি নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলে পেতে পারে নকআউটের টিকিট। সেই লক্ষ্য নিয়েই আজ রাত ২টায় ফিলাডেলফিয়ায় আইভরি কোস্টের মুখোমুখি হবে কুরাসাও। একই সময়ে মাঠে নামবে জার্মানি। ইতিমধ্যে গ্রুপসেরার খেতাব অর্জন করা জার্মানদের প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর। চারবারের চ্যাম্পিয়নদের কাছে ম্যাচটি জেতা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে জার্মানি জিতলে লাভ হবে কুরাসাওয়ের। লাভের গুড় ঘরে তুলতে অবশ্য জয় চাই ছোট্ট এই দ্বীপ দেশটির।
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জিতলে কুরাসাওয়ের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৪-এ। আর জার্মানির কাছে ইকুয়েডর হারলে তারা ১ পয়েন্ট নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করবে। ফলে ‘ই’ গ্রুপ থেকে নকআউটে জার্মানির সঙ্গী হবে কুরাসাও।
আইভরি কোস্টের জন্য সমীকরণটা বেশ সহজ। জয়ে সরাসরি কোয়ালিফাই করবেন দিয়ালো-কেসিরা। ড্র করলেও সম্ভাবনা থাকবে। এতে আইভরি কোস্টের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৪-এ। সেক্ষেত্রে জার্মানিকে কমপক্ষে ২-০ গোলে হারালেই কেবল আইভরি কোস্টকে টপকাতে পারবে ইকুয়েডর। আর ১-০ গোলের জয়ে তৃতীয় হয়ে অপেক্ষায় থাকতে হবে ইকুয়েডরকে।
গ্রুপ ‘ই’: কার কী প্রয়োজন
জার্মানি
টানা দুই জয়ে জার্মানি সেরা দল হিসেবে নকআউটের টিকিট কেটেছে। ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচটির কার্যত কোনো গুরুত্ব নেই।
আইভরি কোস্ট
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ৩২ নিশ্চিত করবে। ড্র করেও পরের রাউন্ডে যাওয়া সম্ভব। সেক্ষেত্রে জার্মানির বিপক্ষে পয়েন্ট খোয়াতে হবে ইকুয়েডরকে। অথবা ইকুয়েডর জিতলেও যেন গোল ব্যবধান দুই বা তার বেশি না হয়।
ইকুয়েডর
দ্বিতীয় দল হিসেবে নকআউটে যেতে জার্মানির বিপক্ষে শুধু জয় যথেষ্ট নয়। জিততে হবে কমপক্ষে দুই গোলের ব্যবধানে এবং আইভরি কোস্টকেও পয়েন্ট হারতে হবে।
কুরাসাও
জার্মানির কাছে ৭ গোল হজম করলেও শেষ ম্যাচ জিতে রানার্সআপ হতে পারে কুরাসাও। সেক্ষেত্রে ইকুয়েডরকে অবশ্যই পয়েন্ট খোয়াতে হবে।
নকআউটে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ: শেষ ৩২-এ জার্মানি খেলবে এ, বি, সি, ডি অথবা ‘ই’ গ্রুপে তৃতীয় হওয়া কোনো দলের বিপক্ষে। আর ‘ই’ গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়া দলের প্রতিপক্ষ হবে ‘আই’ গ্রুপের রানার্সআপ। সেক্ষেত্রে ফ্রান্স অথবা নরওয়ে যেকোনো একটির বিপক্ষে লড়তে হবে।
