কোটি কোটি যুবকের হৃদয় হরণকারী রাশমিকা মন্দানা অবশেষে একজনকে বেছে নিচ্ছেন। সেই সৌভাগ্যবান পুরুষের নাম বিজয় দেবেরাকোন্ডা। আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন দু’জনে। পাঠক এরই মধ্যে আন্দাজ করে ফেলেছেন, বলা হচ্ছে ভারতের বহুল আলোচিত, সমালোচিত অভিনেত্রী রাশমিকা মন্দানার কথা। হ্যাঁ, তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান নিয়ে আগেভাগেই চলছে এক উন্মাদনা। হবে নাইবা কেন! বিশাল আয়োজন যে! আইটিসি মেমেনটোস উদয়পুরে হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। এটি উদয়পুর শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে। এ উপলক্ষে উদয়পুর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আরাবল্লী পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এই বিলাসবহুল রিসোর্টটি সম্পূর্ণভাবে জনসাধারণের দৃষ্টির বাইরে। ফলে অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও গোপনীয় আয়োজনের জন্য এটি উপযুক্ত স্থান।

সেখানে আছে ১১৭টি ব্যক্তিগত ভিলা, নিজস্ব নদী ও লেক, ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড, পুরো একটি পাহাড়জুড়ে বিস্তৃত এলাকা। অতিথিরা বাণিজ্যিক ফ্লাইটেই উদয়পুরে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে। এই দম্পতি প্রায় ৫০ জন ঘনিষ্ঠ অতিথিকে নিয়ে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে উদয়পুরে পৌঁছাতে পারেন। মোট আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা প্রায় ১০০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনটি হবে নীরব ও ব্যক্তিগত। বড় চলচ্চিত্র তারকাদের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে না। তবে তেলেঙ্গানার কয়েকজন রাজনীতিবিদ এবং কিছু চলচ্চিত্র পরিচালক অতিথি তালিকায় রয়েছেন। বিমানবন্দরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। কারণ একাধিক সেলিব্রিটির আগমনের সম্ভাবনা আছে।
বিজয় ও রাশমিকা নিশ্চিত করেছেন যে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানের নাম হবে ‘দ্য ওয়েডিং অব দ্য ভিরোশ’। এক আবেগঘন বার্তায় তারা ভক্তদের জানিয়েছেন, ‘ভিরোশ’ নামটি তাদের সমর্থকরাই বহু বছর আগে দু’জনের নাম মিলিয়ে তৈরি করেছিলেন। সেই নামই তাদের কাছে বিশেষ হয়ে আছে।
তাদের বার্তায় বলা হয়- ‘আমাদের প্রিয়জনেরা, আমরা কোনো পরিকল্পনা করার আগেই, নিজেদের জন্য কিছু বেছে নেয়ার আগেই- আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন। অনেক ভালোবাসা দিয়ে আপনারাই আমাদের একটি নাম দিয়েছেন-‘ভিরোশ’। তাই আজ পূর্ণ হৃদয়ে, আপনাদের সম্মানে আমরা আমাদের একসঙ্গে পথচলার নাম রাখছি-‘দ্য ওয়েডিং অব ভিরোশ’। এত ভালোবাসায় আমাদের আগলে রাখার জন্য ধন্যবাদ। আপনারা সবসময় আমাদের অংশ হয়ে থাকবেন। অনেক ভালোবাসা ও আলিঙ্গন!’

আমির হামজা জানোয়ার রাশমিকাকে নিয়ে অনেক লেখা লেখছে।
৩ মাস আগেআমির হামজা জানোয়ার তারে বিবাহ করতে চাইছিলো।