পিতার ইমামতিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার নামাজ আদায়ের ইমামতি করেন নিহত শিবির সভাপতির পিতা উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান। সোমবার বিকাল ৩ টায় বোনারপাড়া সরকারি কাজী আজহার আলী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নেন, গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের আমীর ও সদর আসনের সংসদসদস্য আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্ল্যাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু। গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলার সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, সেক্রেটারি ফাহিম মণ্ডল, সাঘাটা উপজেলা আমীর ইব্রাহিম সেক্রেটারি আব্দুল ওয়ারেছ উপজেলা শিবির সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা।
প্রসঙ্গত, রোববার বিকালে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা পৌনে ৩টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চারমাথায় সাইফুল্লাহকে ছুরিকাঘাত করেন যুবদলের বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল ও তার সঙ্গীরা। রোববার (রাতে জেলা যুবদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে, দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই স্থানীয় জনতা যুবদল নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুলের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় রোববার রাতে রাজধানীতে ও সোমবার দুপুরের দিকে গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল করে।
