সাতকানিয়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সাতকানিয়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মাদ্রাসা ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের ছমদর পাড়ায় অবস্থিত জমিরিয়া সুলতানুল উলুম মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে। হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এ সময় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও হেফাজত নেতা মাওলানা মাহমুদুল করিম কাসেমী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারের এ হামলায় মাদ্রাসার চারজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। হামলাকারীরা ঘটনাটিকে ভিন্ন দিকে মোড় দেয়ার লক্ষ্যে মাদ্রাসার সিসিটিভি ক্যামেরায় কালো রঙের স্প্রে দিয়ে ঢেকে দেয়।

এ ছাড়াও জায়গাটি অনেক বছর আগে মাদ্রাসার জন্য খরিদ করা হয়েছে। এরপর দীর্ঘ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে মাদ্রাসাটি এখানে পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি স্থানীয় আব্দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তি জোরপূর্বক মাদ্রাসার রাস্তা দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হওয়ায় আমরা উপজেলা প্রশাসন ও আদালতের শরণাপন্ন হই। এরপর আদালত ওই জায়গায় উভয়পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের আইনি নিষেধাজ্ঞা ও লিগ্যাল এইডের নোটিশ তোয়াক্কা না করেই প্রতিপক্ষের লোকজন এমন তাণ্ডব চালিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে হেফাজত নেতা মাওলানা মাহমুদুল করিম কাসেমী বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরায় স্প্রে করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত হামলাকারীদের প্রবেশ ও গতিবিধির স্পষ্ট ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। সেখানে হামলাকারীদের স্পষ্ট চেনা যাচ্ছে।

ঘটনার পর পরই আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহর ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মূলত তারা নিজেরা ঘটনা ঘটিয়ে আমার ওপর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে।
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠিয়েছি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন মাদ্রাসার পরিচালক ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন