জর্ডানের বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রোমাঞ্চকর জয় অস্ট্রিয়ার

জর্ডানের বীরত্বপূর্ণ লড়াই, রোমাঞ্চকর জয় অস্ট্রিয়ার

ফন্ট সাইজ:

২৮ বছর পর ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রত্যাবর্তনটা জয়ে রাঙালো অস্ট্রিয়া। তবে খাতা-কলমে ৩-১ ব্যবধানের এই জয় যতটা সহজ মনে হচ্ছে, সান ফ্রান্সিসকোর মাঠে লড়াইটা ছিল ঠিক ততটাই কঠিন। বিশ্বকাপের নবাগত দল জর্ডানের চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের সামনে একপর্যায়ে পয়েন্ট হারানোর শঙ্কায় পড়ে যায় রালফ রাংনিকের শিষ্যরা। শেষ দিকের আত্মঘাতী গোল আর ইনজুরি টাইমের পেনাল্টিতে রক্ষা পায় ইউরোপের দলটি।

খেলার প্রথমার্ধে আধিপত্য ছিল অস্ট্রিয়ারই। ২০তম মিনিটে রোমানো শ্মিডের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া এক দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে এগিয়ে যায় তারা। তবে গোল খেয়েই খোলস ছেড়ে বের হয়ে আসে জর্ডান। বিরতির ঠিক পরপরই, ম্যাচের ৫০তম মিনিটে একক নৈপুণ্যে ইতিহাস গড়েন জর্ডানের ফরোয়ার্ড আলী ওলওয়ান। মাঝমাঠ থেকে বল টেনে নিয়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে এক বুলেট গতির শটে বল জালে জড়ান তিনি। এটি বিশ্বকাপে জর্ডানের ইতিহাসের প্রথম গোল।

৭১তম মিনিটে মার্কো আরনাউটোভিচ অস্ট্রিয়ার হয়ে গোল করলেও, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনায় হ্যান্ডবলের কারণে তা বাতিল হয়। তবে ভাগ্য সহায় ছিল না জর্ডানের। ৭৭তম মিনিটে কর্নার থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে বসেন দলটির ডিফেন্ডার ইয়াজান আল-আরব।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার একদম আগ মুহূর্তে, ইনজুরি সময়ের একাদশ পেনাল্টি থেকে গোল করে অস্ট্রিয়ার জয়ের ব্যবধান বাড়ান অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার আরনাউটোভিচ। বল দখলের লড়াইয়ে অস্ট্রিয়া (৬২%) এগিয়ে থাকলেও, গোলমুখে জর্ডানের ১১টি আক্রমণ প্রমাণ করে নবাগত হিসেবে তারা কতটা সাহসী ফুটবল খেলেছে।

গ্রুপ ‘জে’-তে অস্ট্রিয়ার পরবর্তী প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। আর বাঁচা-মরার লড়াইয়ে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে জর্ডান।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন