সৌদি গোলকিপারের বীরত্বে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো উরুগুয়েকে

সৌদি গোলকিপারের বীরত্বে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো উরুগুয়েকে

ফন্ট সাইজ:

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে হারের শঙ্কায় ছিল লাতিন আমেরিকার পরাশক্তি উরুগুয়ে। তবে দ্বিতীয় হাফে আক্রমণের ঝড় তুলে স্বস্তির ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মার্সেলো বিয়েলসার দল। ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘সি’-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের মধ্যকার লড়াইটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। তবে ম্যাচ ড্র হলেও পুরো আলো কেড়ে নিয়েছেন সৌদি গোলকিপার মোহাম্মদ আল-ওয়াইস, যিনি একাই উরুগুয়ের ৯টি নিশ্চিত গোল রুখে দিয়েছেন।

প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা উরুগুয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই খোলস ছেড়ে বের হয়। বিরতির পর মাঠে নেমেই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। ৪৬তম মিনিটে উরুগুয়ের ফরোয়ার্ড ফেদেরিকো ভিনাসের দুর্দান্ত এক ডাইভিং হেড ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন আল-ওয়াইস। ৫০তম মিনিটে আবারও ভিনাসের হেড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৬০তম মিনিটে উরুগুয়ের মিডফিল্ডার ম্যানুয়েল উগার্তের ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া নিচু শট পোস্টে লাগে। তবে রিপ্লেতে দেখা যায়, আল-ওয়াইসের আঙুলের সামান্য ছোঁয়াতেই বলটি দিক পরিবর্তন করেছিল।

পুরো দ্বিতীয় হাফ জুড়েই ম্যাচটি রূপ নেয় ‘উরুগুয়ের আক্রমণ বনাম সৌদির রক্ষণ’। অবশেষে ৮০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ম্যাক্সি আরাউহো। বাম প্রান্ত থেকে অলিভেরার বাড়ানো ক্রসে ভিনাসের নেয়া ডাউনওয়ার্ড হেড প্রথম দফায় ঠেকিয়ে দেন সৌদি কিপার। তবে রিবাউন্ডে বল পেয়ে আলতো শটে বল জালে জড়িয়ে উরুগুয়েকে ১-১ সমতায় ফেরান আরাউহো। গোল করার পরপরই অবশ্য তাকে তুলে নেন কোচ বিয়েলসা।

ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়তা আরও বাড়ে। যোগ করা সময়ের (৯৩ মিনিটে) নিকোলাস দে লা ক্রুজের জোরালো হাফ-ভলি চমৎকারভাবে রুখে দেন আল-ওয়াইস। এর পরের মুহূর্তেই কর্নার থেকে ভালভার্দের নেয়া একটি দূরপাল্লার বুলেট গতির শট মাটির সঙ্গে ঘেঁষে পোস্টের কোণ দিয়ে যাওয়ার সময় অবিশ্বাস্য দক্ষতায় কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান এই সৌদি কিপার।

শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের ২৮টি শটের বিপরীতে মাত্র ৭টি শট নিয়েও আল-ওয়াইসের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে ঐতিহাসিক ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে গ্রিন ফ্যালকনরা।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন