গণভোটের হ্যাঁ এর শপথের কোনো প্রয়োজন নেই মন্তব্য করে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সংসদের শপথ হয়েছে, সেখানে শপথ নিয়েছি। হ্যাঁ-না ভোট হয়েছে গণভোট। সেখানে হ্যাঁ ভোট জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণে পার্লামেন্টে বিলটা রেইজ হবে। সংসদে আলোচনা হবে। তাই হ্যাঁ এর শপথের কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। হ্যা অটোমেটিক জাতীয় সংসদে বসা মাত্র হ্যা কার্যকরী হবে। এটাই হবে জুলাই জাতীয় সনদ। শনিবার সকালে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে লক্ষ্মীপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, গণভোটে হ্যাঁ এর পাশাপাশি না ভোট হয়েছে, সে না ভোট অনুযায়ী পার্লামেন্টে রেইজ হবে।
আলোচনা হবে। তার ভিত্তিতে আবার সেটা নির্ধারণ হবে। কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেয়া হয়েছে, সেগুলো সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই ব্যাপারে আইনবিদরা ইতিমধ্যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। বিষয়টি আরও জানা দরকার। সুন্দরভাবে বলা দরকার এবং গ্রহণযোগ্য-বিশ্বাসযোগ্য যে সিদ্ধান্তটি জনসাধারণ দিয়েছেন-হ্যাঁ ভোট। সেটি অটোমেটিক নীতি-নিধারণী অনুযায়ী দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে পার্লামেন্টে কার্যকরী হবে। পানিসম্পদমন্ত্রী বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিরোধী দল সরকারকে কীভাবে সহযোগিতা করবেন? দেশটাকে কীভাবে চালিয়ে নিবেন? সহযোগিতা করবেন আন্তরিকতার মধ্যদিয়ে, দলমত- ভিন্ন থাকতে পারে, সব ইস্যুতে বিরোধিতা করবো, সে বিরোধিতা পিছিয়ে এসে দেশটাকে কীভাবে গড়বো, সেটা নিয়ে সবাই মিলে এক সাথে কাজ করবো। সেটাই হোক আমাদের প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন, মব সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি করতে গেলে বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। তাই দেশ গড়ার ক্ষেত্রে যারা মব সৃষ্টি করে বাধা দিবে তারাই দেশের শত্রুু হিসেবে পরিণত হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপী, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট হাসিবুর রহমান, বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, বিএনপি নেতা ও জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিউকিউটর আহমদ ফেরদৌস মানিক প্রমুখ।
