রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও সম্ভাব্য আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেছেন, ‘রেকর্ড পাওয়ার পর মামলাটি দ্রুত শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস।’
রোববার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে তার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করা।’ বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুবিচার নিশ্চিত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘গত ২১শে মে তিনি জানিয়েছিলেন যে মামলাটির তদন্ত ও বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব। কারণ আসামিরা গ্রেপ্তার হয়েছিল, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিল এবং প্রয়োজনীয় আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছিল। ফলে তদন্তে বিলম্বের কোনো সুযোগ ছিল না।’
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘ঘটনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ ও আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে রামিসার পরিবারকে যে সুবিচারের আশ্বাস দেয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়েছে।’
তিনি তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন টিম, বিচারিক কর্মকর্তা এবং মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তার ভাষায়, সমন্বিত উদ্যোগের কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
তবে তিনি বলেন, ‘বিচারিক আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় এখনই কার্যকর হবে না। আইন অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে যাবে। হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করার পরই তা কার্যকর করা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘রেফারেন্স আসার পর দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। প্রয়োজন হলে প্রধান বিচারপতির বিশেষ নির্দেশনাও চাওয়া হতে পারে।’
আপিল নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘দেশে কিছু বাস্তবতা রয়েছে। তবে প্রধান বিচারপতি গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর বিচার দ্রুত সম্পন্নে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রয়োজন হলে এ মামলার ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘নাগরিকের দ্রুত সুবিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রামিসার মামলায় রাষ্ট্রের সব অঙ্গ সমন্বিতভাবে কাজ করেছে বলেই এত দ্রুত সময়ে বিচার সম্পন্ন হয়েছে।’

Eshak
১ ঘন্টা আগেWe want the immediate hanging execution of the criminals, the killers of Ramisa.
What about OC Pradip, the killer of Major Sinha? And another one is the Narayangaj 6 murder case where Awame League Leader Mofazzal Hossain Chowdhury Mayia's son-in-law is one of the killers? The people of Bangladesh want to know regarding these verdict executions.