বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গৃহীত শোকপ্রস্তাবের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পৌঁছাতে কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। গত ২ জুন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ দাস স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিটি কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, এ বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকপ্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। ওই অধিবেশনের কার্যবিবরণী থেকে সংশ্লিষ্ট অংশের অনুলিপি চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, শোকপ্রস্তাবসংবলিত ওই অনুলিপি যেন বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়।
সংযুক্ত কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, ৩ ফেব্রুয়ারির অধিবেশনে স্পিকার খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদানের কথা স্মরণ করেন। এরপর তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিধানসভার সদস্যরা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।
চিঠি অনুযায়ী, শোকপ্রস্তাব গ্রহণের প্রায় চার মাস পর ২ জুন তা পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত শোকপ্রস্তাবে খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। শোকপ্রস্তাবে নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রকৃত গণতন্ত্রী এবং সমকালীন দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতির এক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়। শোকপ্রস্তাবে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

Md. Tusar Abdullah
১ মাস আগেবাংলাদেশের মানুষ এখন কিছুটা হলেও বোঝে ,এটা ভারতের মাছের মায়ের পুত্রশোক। তবে বর্তমান জাতীয়বাদী দলকে বলব আপনাদের চোখে হয়ত আওয়ামী লীগের একটা জিনিস লক্ষণীয় সেটা ভারতের সাহায্য নিয়ে আওয়ামী লীগের শোষণ।তাই অনেকেই এটার চেষ্টা করবে।কিন্তু আমার চোখে লক্ষ্নীয় আওয়ামী লীগের নির্লজ্জ ভাবে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য।তাই ভারতের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে জনগণের দৃষ্টিশুল হয়ে লাভ হবে না।৫ বছর ক্ষমতায় না থাকার থেকে দেশের মাটিতে কবর হওয়ার সৌভাগ্য অনেক উত্তম।তাদের কিন্তু মাটি টুকুও জুটবে না।কবর কোথায় হবে কে জানে।