ভৈরবে খেলা নিয়ে সংঘর্ষ

৬ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

ফন্ট সাইজ:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে খেলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে ছয় ঘণ্টা রেললাইন অবরোধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৫০ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
১৪-১৫ দিন আগে পৌর এলাকার পঞ্চবটী ও জগন্নাথপুরের তরুণদের মধ্যে একটি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় দুই গ্রামবাসীর ছেলেদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে জগন্নাথপুরের সোহেল মিয়ার ছেলে লিয়াম (১৭) এর উপর হামলা হয়।
এ খবর জগন্নাথপুর এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ভৈরব রেলস্টেশনে ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে দুই গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়ায়। প্রথমে রেলওয়ে পুলিশ, ভৈরব থানা পুলিশ, র্যাব, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সংঘর্ষের জেরে প্রায় ছয় ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়ে পাঁচটি ট্রেন।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু ইউসুফ গণমাধ্যমকে বলেন, রাত ১টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি ট্রেন চলাচলের মধ্য দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।


ট্যাগসমূহ:

SHINGRAPUR

১ মাস আগে

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে দুই গ্রামবাসীর ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির কারণ হয়েছে। ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ঘটা এই তুচ্ছ বিরোধের জেরে প্রায় ৬ ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল, যা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে।
সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট এবং ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে মহানগর গোধূলি, পারাবত এক্সপ্রেস, এগারোসিন্ধুর গোধূলি, মহানগর এক্সপ্রেস এবং নরসিংদী কমিউটার নামের ৫টি আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন আটকে পড়ে।
সংঘর্ষের সময় স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এবং দুই পক্ষ একে অপরের দিকে পাথর ছুড়তে থাকে। এতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেলওয়ে পুলিশ, ভৈরব থানা পুলিশ, র‍্যাব, আরএনবি এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে দীর্ঘ চেষ্টা চালান। দফায় দফায় চেষ্টা করার পর গভীর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।দীর্ঘ প্রায় ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত (শুক্রবার) ১টা ৫০ মিনিটে ভৈরব জংশন দিয়ে পুনরায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মাঠপর্যায়ের বা ব্যক্তিগত পর্যায়ের তুচ্ছ ঝামেলাকে কেন্দ্র করে এভাবে জাতীয় সম্পদ ও গণপরিবহন ব্যবস্থা জিম্মি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই ধরনের জনদুর্ভোগ রোধে অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন