রাজধানীর শ্যামলীর আদাবর এলাকায় অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, এই চক্রটি সাদমান সাকিব নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) একজন শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। পরে অপহরণ চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যে গ্রেপ্তার হয় আরও ৮ সদস্য।
বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘মোহাম্মদপুরের আলোচিত ছিনতাইয়ের ঘটনার আসামি গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধার’ প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহম্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩) ও মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।
মো. ফজলুল করিম বলেন, ‘আদাবর এলাকায় বেশ কিছুদিন যাবত আমরা কিছু ঘটনার সংবাদ পাচ্ছি। অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা। বেশকিছু দিন আগেও আমরা মোহাম্মদপুর থানা কর্তৃক একটা চক্রকে গ্রেপ্তার করেছি। সাদমান সাকিব নামে ঢাবির একজন শিক্ষার্থী রাত ১১টার দিকে শ্যামলী বাসস্টান্ড এলাকায় আসেন। আসার পর তিন থেকে চারজন দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে তাকে অপহরণ করে। পরে তাকে সরু গলির মধ্যে নিয়ে
তার কাছে থাকা মোবাইল, টাকা-পয়সা ও মানিব্যাগসহ যা ছিল সব নিয়ে নেয়। এরপর তার পরিবারের কাছে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই চক্রটি আদাবর এলাকায় বিশেষ করে ভোরের দিকে যখন ব্যবসায়ীরা টাকা পয়সা নিয়ে বিভিন্ন মালামাল আনতে যান, তখন তাদের টার্গেট করতো। বিশেষ করে একা যারা থাকতো, তাদেরকে টার্গেট করে অপহরণ করতো।’
