দীর্ঘ ৬০ বছরের বিশ্বকাপ খরা কাটানোর মিশন নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পা রাখলো ইংল্যান্ড ফুটবল দল। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে বার্মিংহাম বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে বৃটিশ সময় রাতে মায়ামিতে অবতরণ করেন হ্যারি কেইনরা। সেখান থেকে সরাসরি ওয়েস্ট পাম বিচের বিলাসবহুল ‘দ্য বেলগ্রোভ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’-তে চেক-ইন করে থ্রি লায়নরা।
রিসোর্টে প্রবেশের সময় ইংলিশ দলের নতুন জার্মান মাস্টারমাইন্ড থমাস টুখেল এবং অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে দেখা গেছে হাস্যোজ্বল চেহারায়। অন্যদিকে, দলের বাকি সদস্যরা পৌঁছানোর আগে, লিওনেল মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামির স্পোর্টিং কমপ্লেক্সে গিয়ে আগেভাগেই একক অনুশীলন শুরু করে দেন ফরোয়ার্ড মার্কাস রাশফোর্ড।
বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে নামার আগে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ফ্লোরিডায় একটি প্রস্তুতি ক্যাম্প করবে ইংল্যান্ড। সেখানে আগামী শনি ও বুধবার যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও কোস্টারিকার বিপক্ষে দু’টি গা-গরমের ম্যাচ খেলবে তারা। এরপরই তারা চলে যাবে নিজেদের মূল বিশ্বকাপ ঘাঁটি কানসাস সিটিতে। সেখানে বৃটিশ কান্ট্রি এস্টেটের আদলে তৈরি বিলাসবহুল ‘ইন অ্যাট মেডোব্রুক’ হোটেলটি সম্পূর্ণ নিজেদের জন্য ঠিক করেছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।
তবে মাঠের প্রস্তুতির পাশাপাশি ইংল্যান্ড শিবিরের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উত্তর আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়া হামের প্রাদুর্ভাব। বিশেষ করে, ১৭ই জুন আর্লিংটনের যে এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করার কথা, সেই টেক্সাস রাজ্যটিই এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। যদিও প্রধান কোচ থমাস টুখেল আপাতত মাঠের বাইরের বিষয় নিয়ে ভাবছেন না। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া রিসোর্টে বসেই ক্রোয়েশিয়া, ঘানা এবং পানামার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হওয়ার সুনির্দিষ্ট ছক কষছেন তিনি।
এদিকে, চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনালে অংশ নেয়া আর্সেনালের চার তারকা ফুটবলার বুকায়ো সাকা, ডেকলান রাইস, নোনি মাদুয়েকে এবং এবারেচি এজে এখনই দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন না। ফাইনালে খেলার ধকল কাটিয়ে ওঠার জন্য তাদের বাড়তি কয়েক দিনের ছুটি দিয়েছেন টুখেল। এছাড়া ক্রিস্টাল প্যালেসের হয়ে ইউরোপা কনফারেনস লীগ জেতা গোলকিপার ডিন হেন্ডারসনও একই কারণে দেরিতে যোগ দেবেন।
