দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বাদ জোহর ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন এবং তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
জানাজা শেষে তার মরদেহ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে নেয়া হয়। সেখানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে এদিন সকালে রাজধানী থেকে হেলিকপ্টারযোগে তার মরদেহ ভোলায় আনা হয়। ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে জানাজায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
গতকাল সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তোফায়েল আহমেদ। এরপর বাদ মাগরিব ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদ প্রাঙ্গণে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন তিনি।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শ্রদ্ধা
ভোলায় তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন
ভোলা প্রতিনিধি
অনলাইন
১ মাস আগে
২ জুন (মঙ্গলবার), ২০২৬, ৩ঃ৪৬ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Andalib
১ মাস আগেতোফায়েল সাহেব যদি ফ্যাসিস্টের দোসর হয়ে থাকে , বর্তমান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সাহেব দোসর ছিলেন না ? তাকে এখনো কীভাবে রাষ্ট্রপতি পদে বহাল রেখেছেন ?
তার কাছ থেকে কীভাবে আপনারা শপথ
নেন ? তাকে কীভাবে সরকারী খরচে লন্ডন পাঠাচ্ছেন চিকিৎসার জন্য ? কীভাবে তাকে পাশে নিয়ে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়েন ? ভন্ডদের মুখে তোফায়েল সাহেবকে
ফ্যাসিষ্টের দোসর বলা মানায় না। ফ্যাসিস্ট কাকে বলে সেটা আগে জানা জরুরী।