তাইজুলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস মিনহাসের

তাইজুলের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস মিনহাসের

ফন্ট সাইজ:

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার পর তৃতীয় দল হিসেবে ১০০০তম ওয়ানডে খেলার ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করলো পাকিস্তান। আর এই স্মরণীয় ম্যাচটিকে নিজের করে নিলেন ২১ বছর বয়সী অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত মিনহাস। রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের তো বটেই, ওয়ানডে ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে অভিষেকে ৫ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়লেন তিনি। স্পিনারদের মধ্যে আগে অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড ছিল তাইজুল ইসলামের। ২০১৪’র ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ১১ রানে ৪ উইকট নেন এ টাইগার স্পিনার।

মিনহাসের স্পিন ঘূর্ণিতে অস্ট্রেলিয়াকে ২০০ রানে গুটিয়ে দেয় পাকিস্তান। পরে বাবর আজম ও গাজী ঘোরির জোড়া ফিফটিতে ৫ উইকেটের সহজ জয় তুলে নেয় তারা। ৩ ম্যাচের সিরিজে আপাতত ১-০ তে এগিয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদিরা। প্রথম ইনিংসে চতুর্দশ ওভারে জোড়া আঘাত হেনে জশ ইংলিস ও মার্নাস লাবুশেনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মিনহাস। পরের ওভারে তিনি বোল্ড করেন ক্যামেরন গ্রিনকে। ৬৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে প্রতিরোধ গড়েন ম্যাথু শর্ট ও ম্যাট রেনশ।

শর্টকে (৫৫) ফিরিয়ে ৫৫ রানের এই জুটি ভাঙেন ম্যাচের নায়ক মিনহাস। শেষ দিকে নাথান এলিসকে বোল্ড করে নিজের ঐতিহাসিক ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে এর আগে তো পেস এবং স্পিন মিলিয়ে অভিষেকে ৫ উইকেট নিতে পারেননি আর কেউ। ১৯৮৪ সালে ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আগের রেকর্ডটি জাকির খানের। স্পিনারদের মধ্যে এতদিনের সেরা অভিষেক ছিল আব্দুল কাদিরের।

১৯৮৩ সালে ২১ রানে ৪ উইকেট নেন এ কিংবদন্তি লেগ স্পিনার। শুধু কি পাকিস্তান, ওয়ানডে ইতিহাসেই এমন কীর্তিতে প্রথম ২১ বছর বয়সী মিনহাস। এতসব গৌরবের কথা জানতেন না তিনি। তবে রেকর্ড ও কীর্তি জানার পর স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন মিনহাস। দলের জয়েই সবচেয়ে বেশি খুশি তিনি। মিনহাস বলেন, ‘(রেকর্ডের বিষয়ে) এটি আমার জানা ছিল না। নিজের দেশের জন্য এমন পারফর্ম করেছি। আমার জন্য গর্বের মুহূর্ত যে অভিষেকে এত ভালো করেছি এবং দল জিতেছে। রেকর্ড তো সামনেও হতে থাকবে। মূল বিষয় হলো, যাতে দল জেতে।’ আগামীকাল লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন