বিদায় নিচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা ক্রিকেট’

বিদায় নিচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা ক্রিকেট’

ফন্ট সাইজ:

ক্রিকেটের সবুজ জার্সি আর মাথায় টুপি— পাকিস্তানি ক্রিকেটের সমার্থক হয়ে ওঠা সেই অতি পরিচিত মুখ ‘চাচা ক্রিকেট’ আর গ্যালারি মাতাবেন না। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে গ্যালারি থেকে দলকে অনুপ্রেরণা জোগানো এই কিংবদন্তি সমর্থক চলতি বছরেই অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে দেশের মাটিতে তার শেষ উপস্থিতি।

৭৭ বছর বয়সী আব্দুল জলিল (চাচা ক্রিকেটের আসল নাম) ১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মাঠে যাওয়া শুরু করেন। আশির দশকে শারজার মাঠে তার উপস্থিতি তাকে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি দেয়। পাকিস্তানের প্রথম সারির এক গণমাধ্যমকে তিনি জানান, ৫০০ ম্যাচে দলকে সমর্থনের লক্ষ্য পূরণ হওয়ায় তিনি এখন অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অবসর জীবনে শিয়ালকোটে একটি রেস্তোরাঁ ও যাদুঘর গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি, যেখানে তার সংগৃহীত ঐতিহাসিক স্মারকগুলো প্রদর্শিত হবে। সম্প্রতি পাকিস্তান দলের ভরাডুবি এবং চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে টানা ৯টি ম্যাচে পরাজয় তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। বিশেষ করে, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউ ইয়র্কের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে মাত্র ১২০ রান তাড়া করতে না পারার ক্ষত আজও তাকে পোড়ায়।

তবে ক্রিকেটের এই চরম দুর্দিনেও আশাবাদী চাচা ক্রিকেট। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় তার সেই বিখ্যাত স্লোগানটির বাংলা করলে এমন শোনা যায়, ‘খেলাধুলার আঙিনায় এমনই হয়ে থাকে ভাই। কখনো জয়, তো কখনো পরাজয়। কখনো আনন্দ-উচ্ছ্বাস, কখনো বা গভীর বেদনা। কখনো তোমাদের দিন, তো কখনো আমাদের!’

লাহোরের মাঠ থেকে চাচা ক্রিকেট বিদায় নিচ্ছেন ঠিকই। চলতি বছরের শেষভাগে ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট সিরিজে দলকে শেষবারের মতো গ্যালারিতে থেকে সমর্থন জোগানোর আশা রাখছেন ক্রিকেটের এই নিঃস্বার্থ ফেরিওয়ালা।

Ahmad Zafar

১ মাস আগে

পাকিস্তানের "ক্রিকেট চাচা" ক্রিকেট বিশ্বে এক সুপরিচিত নং। বয়সের ভার, পাক ক্রিকেটারদের ক্রমাগত ব্যর্থতা ইত্যাদি কারনে তার বিদায়ের ঘোষণা অন্যান্যদের মত বাংলাদেশকেও মনঃকষ্ট দেয়। ক্রিকেট প্লেয়ারদের আগমন প্রস্থান থাকলেও এই চাচার স্থানটি পরবর্তিতে কেউ দখল করতে পারবে বলে মনে হয় না। আমরা পাক "ক্রিকেট চাচার" সুস্থতার সঙ্গে দীর্ঘায়ূ কামনা করি।।

মন্তব্য করুন