কোরবানি উপলক্ষে ২৭ হাজারের বেশি পশু আমদানি করলো মালয়েশিয়া

কোরবানি উপলক্ষে ২৭ হাজারের বেশি পশু আমদানি করলো মালয়েশিয়া

ফন্ট সাইজ:

কোরবানি ঈদ উদযাপনের জন্য পশুর চাহিদা মেটাতে ২৭ হাজারেরও বেশি গবাদি পশু আমদানি করেছে মালয়েশিয়া। এই গবাদি পশুগুলো মালয়েশিয়ান কোয়ারেন্টাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের (এমএকিউআইএস) কঠোর স্ক্রিনিং এবং কোয়ারেন্টাইন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা 'বারনামা' এবং জনপ্রিয় সংবাদ মাধ্যম 'স্টার অনলাইন' এমএকিউআইএস বিভাগের উপ-মহাপরিচালক ড. আজহারি শারিদান আবু বকর-এর উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, উক্ত বিভাগ নিশ্চিত করছে যে, থাইল্যান্ড থেকে আসা অধিকাংশ গবাদি পশু রোগমুক্ত এবং কুরবানির জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

ড. আজহারি শারিদান জানিয়েছেন, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (এফএমডি) এবং লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি)-এর মতো রোগের লক্ষণগুলো শনাক্ত করতে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন সময়কালে পশুগুলোকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) পাদাং বেসারের এমএকিউআইএস (এমএকিউআইএস) অ্যানিমেল কোয়ারেন্টাইন স্টেশনে 'বারনামা'কে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন।

ড. আজহারি শারিদান আরও উল্লেখ করেন যে, আসন্ন ঈদুল আযহা উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মহিষ আমদানির রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে, তিনি জোর দিয়ে আরও বলেছেন, "প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সমস্ত গবাদি পশুকে অবশ্যই বিভাগের স্ক্রিনিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।" তিনি আমদানিকারকদের নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন এ সময়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, কিছু আমদানিকারক সরকারি স্টেশনের পরিবর্তে অনুমোদিত ব্যক্তিগত কোয়ারেন্টাইন প্রাঙ্গণে তাদের গবাদি পশু রাখেন, তবে বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত সেই পশুগুলো পর্যবেক্ষণ করেন। সরকারি কোয়ারেন্টাইন স্টেশন পূর্ণ থাকলে, বিভাগীয় অনুমোদন সাপেক্ষে এবং সকল শর্ত পূরণ করলে ব্যক্তিগত প্রাঙ্গণ বা আমদানিকারকের নিজস্ব জায়গায় পশু কোয়ারেন্টাইন করা যেতে পারে।
নিয়ম অমান্য করার ঘটনা সম্পর্কে স্টার অনলাইন লিখেছে, তিনি স্বীকার করে বলেছেন যে, মাঝে মাঝে নিয়ম অমান্য করার ঘটনা ঘটে, বিশেষ করে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হওয়ার আগেই পশু সরিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা। গত বছর এমন একটি ঘটনা এবং তার আগের বছর দুটি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে 'কোয়ারেন্টাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন সার্ভিসেস অ্যাক্ট ২০১১'-এর অধীনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

সবশেষে তিনি উল্লেখ করেছেন, পাদাং বেসার আইকিউএস (পারলিস), বুকিত কায়ু হিতাম আইকিউএস (কেদাহ) এবং রানতাউ পাঞ্জাং আইকিউএস (কেলানতান) - এই তিনটি ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, কোয়ারেন্টাইন এবং সিকিউরিটি কমপ্লেক্সের মাধ্যমে গবাদি পশুগুলো দেশে প্রবেশ করে।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন