নানা অনিয়ম: তৃণমূলের গ্রেপ্তার কমপক্ষে ৭০ নেতাকর্মী

ফন্ট সাইজ:

আর্থিক দুর্নীতি, সরকারি অর্থ নয়ছয়, হিসাব বহির্ভূত আয়, সাধারণ মানুষকে হুমকি, মারধর এবং ভোট-পরবর্তী বা পূর্ববর্তী হিংসায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত অভিযোগে শনিবার পর্যন্ত গত সাত দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের ৭০ জনের বেশি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার এক দিনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৭ জনকে। এদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন পুরসভার কাউন্সিলর এবং স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্য। তবে গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক মন্ত্রী সুজিত বসু। পুরো নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি গ্রেপ্তার করেছে তাকে।

কলকাতা পুরসভার ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লেকে শনিবার বেহালা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঠাকুরপুকুর থানার পুলিশ। শনিবারই তার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছিল থানায়। এদিকে দক্ষিণ দমদম পুরসভার এক কাউন্সিলর শনিবার আত্মহত্যা করেছেন। দক্ষিণ দমদম পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয়। শনিবার সকালে ঘরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। হাসপাতাল তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

এ ছাড়াও তৃণমূল নেতারা গ্রেপ্তার হয়েছেন হাওড়া, বিধাননগর , হুগলি, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং কোচবিহারে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গুরুপদ মাঝি এবং তার ভাই রাজু মাঝি। গ্রামীণ হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন হুগলির হারিট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য আলতাব হোসেন মল্লিক।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন