‘জাস্টিস ফর রামিসা’ স্লোগানে উত্তাল মিরপুর-১০ , সড়ক অবরোধ যান চলাচল বন্ধ

‘জাস্টিস ফর রামিসা’ স্লোগানে উত্তাল মিরপুর-১০ , সড়ক অবরোধ যান চলাচল বন্ধ

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর আন্দোলনকারীরা গোলচত্বরে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে মিরপুর-১০ ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষোভকারীরা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’, ‘ফাঁসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের দাবি, শিশু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা বন্ধেরও আহ্বান জানান তারা।

এর আগেও বৃহস্পতিবার রাতে একই দাবিতে মিরপুর-১০ এলাকায় বিক্ষোভ হয়েছিল। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

গত ১৯শে মে রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি বাসা থেকে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগসমূহ:

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

২ মাস আগে

বিনা বিচারে পুলিশ হত্যার সাইড ইফেক্ট।পুলিশ হত্যারই যদি বচার না হয় তবে অপরাধীদের সাহস নিশ্চয়ই কমে যাবে না।যা হওয়ার কথা তাইতো হচ্ছে।ব্যতিক্রম কি এই হওয়ার কথা যে,পুলিশ হত্যা করে অপরাধীদের বুঝিয়ে দেয়া গেছে, পুলিশ মারা হয়েছে অতএব সাবধান!

লিমা

২ মাস আগে

আওয়ামী দের আমলে অনেকবার লিখেছি বিচার চেয়ে আদায় হয় না।খৃষ্টান দের তৈরি আইন সঠিক নয় বলেই বিচার দীর্ঘ সময় পর হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

২ মাস আগে

তবে কি ধর্ষণ করা দেখেছে এরকম চারজন সাক্ষী এসে সাক্ষ্য দিলেই তৎক্ষনাৎ বিচার করা এই পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে!

আবদুর রব

২ মাস আগে

সামাজিকভাবে জীবনের নিরাপত্তা চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য এককভাবে কাউকে দায়ী করে অথবা শাস্তি বা চরম শাস্তি দিয়ে যদি শান্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যেত তাহলে কোন ধরনের সমস্যা থাকার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত। যেসব কারণগুলোর প্রেক্ষিতে সামাজিক অস্থিরতা বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় সেগুলোকে পর্যালোচনায় এনে যথাযথা প্রতিকারের উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নেয়া দরকার। তা না হলে শান্তি বিধান অব্যাহত রেখে পৃথিবীতে কি শান্তি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে নাকি হবে।মূল কারণগুলোর দিকে নজর দেয়া অতীব জরুরী। যে ক্ষুধার জালায় চুরি করে তার হাত কেটে দিয়ে কি চুরি বন্ধ করা যাবে? শিশুকে যৌন নিপীড়ন বা হত্যা করার যে নজীর সৃষ্টি হচ্ছে তার মূলে যাওয়া দরকার, সেসবের সামাজিক ও মনস্তাত্তিক কারণগুলো শনাক্ত করে সেসবের প্রতিকার করা আবশ্যক। ভাসাভাসা কোন বিধান কিন্তু সমাজকে শুধরানোর পথ নয়।

মন্তব্য করুন