নিজের পক্ষে রায় নিতে ৫ কোটি টাকা ঘুষ, আইনি ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ

ফন্ট সাইজ:

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এবং আদালতকে ম্যানেজ করে নিজের পক্ষে রায় নেয়ার জন্য আবুল হাসেম নামের এক ব্যক্তিকে ৫ কোটি সাড়ে ২১ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ায় রাজধানীর ফুলবাড়িয়ার সিটি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধ আইনি ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ৮ জন আইনজীবীর পক্ষে ই-মেইলযোগে এ নোটিশ প্রেরণ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) ।
বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজিপি, ডিএমপি কমিশার ও দুদকের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ পাঠান।

ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) ছাড়াও নোটিশদাতারা হলেন-ব্যারিস্টার মাহদী জামান, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার, অ্যাডভোকেট লোকমান হাকিম, অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ, অ্যাডভোকেট খায়রুল বাশার ও ব্যারিস্টার মো. কাউসার।

উল্লেখ যে, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হয়েও আবুল হাসেম নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দাবি করেছেন বলে এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল দাবি করেছন। আবুল হাসেম ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী বলে জানা গেছে। প্রতারণার অভিযোগে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল ইতিমধ্যেই মামলা করেছেন যেটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছে।

আইনি নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নিলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আইনি নোটিশে বলা হয়, ব্যবসায়ী কেএম সোহেল আইনসম্মত পথ ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে নিজের পক্ষে অথবা তার সমিতির পক্ষে রায় আদায়ের জন্য আবুল হাশেমকে অর্থ দিয়েছিলেন। তিনি একজন স্বচ্ছ মনের ব্যক্তি নন। ব্যবসায়ী কেএম সোহেল তার নিজের কাজের জন্য সরাসরি দায়ী, যা ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে একটি ফৌজদারি অপরাধ। ব্যবসায়ী কেএম সোহেলের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারার অধীনে মামলা করা বিবাদীদের আইনী দায়িত্ব।

আইনি নোটিশের বিসয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) বলেন, আজ ই-মেইলযোগে বিবাদীর নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া না হলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগসমূহ:

ইতরস্য ইতর

২ মাস আগে

এই দেশে না চাইলে কেউ কাউকে একমুঠো বালু পর্যন্ত দেয় না, সেখানে সোহেল সাহেব হাসেম কোটি টাকা দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না,
হাসেম কে আইনের আওতায় নেওয়া হোক মিথ্যা প্রতিশ্রুতি প্রতারণা বলপ্রয়োগ করে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ, সোহেল প্রতারণার শিকার,তার বিরুদ্ধে এই নোটিশ প্রযোজ্য নয়।

মন্তব্য করুন