বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর সদস্যরা বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় প্রায় ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার ৬শ’ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
মঙ্গলবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা রামু উপজেলার গর্জনিয়া গরুর হাট সংলগ্ন চাকমারহাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি’র একটি টহলদল মাদক চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়।
বিজিবি সূত্র জানায়, অভিযানের একপর্যায়ে চাকমারহাট এলাকার একটি পাটক্ষেতের মধ্যে সন্দেহজনকভাবে ফেলে রাখা একটি বস্তা দেখতে পায় টহলদল। পরে সেখানে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় খয়েরি রঙের ৩৯ হাজার ৫০২ পিস এবং সবুজ রঙের ৪০০ পিসসহ মোট ৩৯ হাজার ৯০২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় ইয়াবার মালিক বা চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবি নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মাদক চোরাকারবারিরা ইয়াবা পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি’র টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেছেন, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় বিজিবি’র এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
