সীমান্ত হত্যা বন্ধে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

সীমান্ত হত্যা বন্ধে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, সরকার প্রকৃত জাতীয়তাবাদী হয়ে থাকলে সীমান্ত রক্ষা হবে তাদের প্রধান কর্তব্য। সীমান্ত হত্যা আরও বাড়লে সরকার উদ্যোগ না নিতে পারলে সীমান্তের দিকে দেশের মানুষকে নিয়ে লংমার্চ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা মাদক ব্যবসায় জড়িত বলেও অভিযোগ তার। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার সীমান্তবর্তী ধ্বজনগর গ্রামে গত শুক্রবার রাতে বিএসএফের গুলিতে নিহত মো. মোরসালিন এবং মধুপুর গ্রামে নবীর হোসেনের বাড়িতে যান। তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারকে অতিদ্রুত সীমান্ত হত্যা বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানাবো।

শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। এখানে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি নির্মাণ করুন যাতে জীবন-জীবিকা নিশ্চিত হতে পারে। যারা মাদক কারবারি, চোরাকারবারি তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক। ঘটনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো বক্তব্য না দেয়ায়, উদ্যোগ না নেয়ায় তাদের হাতে চুড়ি পরিয়ে রাখা দরকার বলে মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, সরকার যদি প্রকৃত জাতীয়তাবাদী হয়ে থাকে তাহলে সীমান্ত রক্ষা করা তাদের প্রধান কর্তব্য।

তিনি বলেন, বিজিবি থেকে যে প্রেস রিলিজ দেয়া হয়েছে সেখানেও বাংলাদেশের মানুষকে মাদক কারবারি, চোরাকারবারি বলা হয়েছে। এটা হচ্ছে ভারতীয় বয়ান। পিলখানা হত্যার আগে বিএসএফ মারা যেত। পিলখানার পর এই বাহিনীর মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। আমরা আশা করবো- এই বাহিনীকে নতুন করে পুনর্গঠন করা হবে। উপযুক্ত ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, এনসিপি সরকার গঠন করলে সীমান্তের পাশে আমরা খাল খনন করবো। যাতে ওপার থেকে খন্দকের যুদ্ধের মতো কোনো মাদক বাংলাদেশে পাঠাতে না পারে। সরকারকে বলবো এখানে এসে মাদক ধ্বংস করুন। ভারত সীমান্তে প্রচুর মাদকের ফ্যাক্টরি স্থাপন করেছে।

অনেক পার্লামেন্ট মেম্বারও এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সরকারি এমপিরা মাদক-ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ঢাকায় ইয়াবা পাওয়া যায় কেন? গাঞ্জা পাওয়া যায় কেন? নাসীরুদ্দীন বলেন, সীমান্ত হত্যা বাড়লে আমরা সীমান্তের দিকে বাংলাদেশের সবাইকে নিয়ে লংমার্চ করবো। দেখবো কে ঠেকায়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, কেন্দ্রীয় সংগঠক মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, মোস্তাক আহমেদ শিশির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আদেল ও স্বাস্থ্য উইং সমন্বয়ক ডাক্তার আশরাফ উদ্দিন প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন