শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেতো বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘শাপলা গণহত্যা: বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনী আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এই আয়োজন করে ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্স।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, শাপলা গণহত্যা বাংলাদেশে বড় ক্ষত তৈরি করেছে। শাপলা গণহত্যাকে ঠেকানো গেলে, জুলাইয়ের গণহত্যা ঠেকানো যেতো। অনেকে এই হত্যাকাণ্ড সমর্থন করেছে, সাফাই গাইছে। ১৩ দফা দাবি আপনি সমর্থন করতে পারেন অথবা নাও করতে পারেন। কিন্তু দাবি নিয়ে আসা জনগণের ওপর কোনো গণহত্যা চালানো সমর্থন করতে পারেন না। দাবি জানানোর কারণে গণহত্যা চালাতে পারেন না। নিরস্ত্র, নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা যেকোনো আন্তর্জাতিক আইনে মানবতাবিরোধী অপরাধ। এরকম অপরাধ করার পরও শেখ হাসিনা সংসদ ভবনে কটুক্তি করে করে কথা বলেছে।
সেসময় আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।
আওয়ামীলীগ মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করতো উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মাদ্রাসা ছাত্রদের জঙ্গি হিসেবে চিত্রিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাড়িটুপি ওয়ালাদের শিবির বলা হতো। আমরা এসব আর মেনে নেবো না। এদেশের সব আন্দোলনে, মুক্তির লড়াইয়ে এদেশের আলেম ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাদের অবদান জাতীয় ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
সীমান্তে কাঁটাতার বিষয়ে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, সীমান্তে হত্যা করে কোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় না। কাঁটাতার দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। এসব কাঁটাতার ভেঙে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব করবে। আমরা বাংলাদেশকে কোনো দেশের করদ রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না। জুলাইয়ে এজন্য জীবন দিয়েছে।
আলোচনা এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, নারায়ণগঞ্জ চার আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ জাতীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



হারুন উর রশীদ
১ মাস আগেজুলাই এ হাসিনা কর্তৃক গণহত্যা সংঘটিত না হলে পতন/পলায়ন সংঘটিত হতো না! যে কোন বিজয়ে ত্যাগ ও কুরবানী অবিসম্ভাবী!