দুই হাজার রানের ক্লাবে প্রথম বাংলাদেশি লিটন

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ

দুই হাজার রানের ক্লাবে প্রথম বাংলাদেশি লিটন

ফন্ট সাইজ:

মোহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দেন লিটন কুমার দাস। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেল আজান আওয়াইসের নেয়া ক্যাচটি বৈধ ছিল না। ব্যক্তিগত ৩২ রানে জীবন ফিরে পান লিটন। অবশ্য জীবন পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ডানহাতি এ ব্যাটার। আর ১ রান যোগ করে সেই আব্বাসের বলেই সাজঘরে ফেরেন লিটন। তার আগে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে দুই হাজার রান করার কীর্তি গড়েন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

২০১৯ সালে শুরু হওয়া আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে ইংল্যান্ডের টপঅর্ডার ব্যাটার জো রুট। ৭৪ ম্যাচে ৫২.২৫ গড়ে ৬৪৮০ রান করেছেন ডানহাতি এ ব্যাটার। এর মধ্য ২২টি সেঞ্চুরি ও ২৩ হাফ সেঞ্চুরি আছে রুটের। তালিকার দুইয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার স্টিভেন স্মিথের সংগ্রহ ৪৫৬৪ রান। এই তালিকায় ৩১ নম্বরে আছেন লিটন। দুই ধাপ পেছনেই রয়েছেন মুশফিকুর রহীম। গতকাল মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৭১ রানে আউট হন ডানহাতি অভিজ্ঞ এ ব্যাটার। অবশ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে মুশফিকের থেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিটন। ৩১ ম্যাচে লিটনের গড় ৩৭.২০ আর ৫ ম্যাচ কম খেলা মুশফিক রান করেছেন ৪২.৬৩ গড়ে। আর ১২৪ রান করলে দ্বিতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দুই হাজার রান সংগ্রাহকের তালিকায় তিনি প্রবেশ করবেন। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আছেন ৪২তম স্থানে। ৩০ টেস্টে ২৯.৫৫ গড়ে বাঁহাতি এ ব্যাটার করেছেন ১৬৫৫ রান। প্রথম ইনিংসে ৯ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা মুমিনুল হক সৌরভ আছে ৪৪তম স্থানে। ৩২ ম্যাচে ১৫৯৪ রান তার। ১৩২৪ রান নিয়ে সেরা

৫০ এ জায়গা করে নিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। রান সংগ্রাহকদের এই তালিকায় পাকিস্তানি ব্যাটারদের মধ্যে সবার ওপরে রয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ৩৯ ম্যাচে ৪০.৭০ গড়ে ২৩২০ রান করেছেন তিনি। সবমিলিয়ে ২৪তম স্থানে রিজওয়ান। ৩৭তম স্থানে জায়গা পেয়েছেন সৌদ শাকিল। পাকিস্তান টেস্ট দলের অধিনায়ক শান মাসুদ আছেন ৩৯তম স্থানে। সালমান আলী আগা রয়েছেন ৪৮তম স্থানে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি পাঁচ সেঞ্চুরির মালিক নাজমুল হোসেন শান্ত। যৌথভাবে দুইয়ে আছেন মুশফিকুর রহীম ও লিটন কুমার দাস। দুজনেই চারটি করে সেঞ্চুরি করেছেন। জন্মদিনে সেঞ্চুরি পেলে শান্তকে ছুঁতে পারতেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। তিন সেঞ্চুরি করে তিনে থাকা মুমিনুল হকও সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপে পুড়েন।



কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন