পশ্চিমবঙ্গের হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের পর দুদিন পার হলেও এখনো আততায়ীদের নাগাল পায়নি পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। চন্দ্রনাথ খুনে মোট ৭ থেকে ৮ জনের দল যুক্ত ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই দলে ২ জন শার্প শুটার ছিল। এদিকে এই খুনে ব্যবহৃত গাড়ির সংখ্যা একটি নয় বরং দুইটি। পুলিশ বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে পায়, চন্দ্রনাথের গাড়ির পেছনে একটি লাল রঙের গাড়ির সন্দেহজনক গতিবিধি ছিল। পুলিশ মনে করছে, সেই গাড়িতে করে খুনে যুক্ত কয়েকজন পালিয়ে যায়। পুলিশ ধারণা করছে, স্থানীয় দুষ্কৃতীদের থেকে সাহায্য নিয়েই পেশাদাররা এই খুনটি করে।
তবে সাত সদস্যের বিশেষ পুলিশ দল গঠন করে তদন্ত শুরু হলেও পুলিশ এখনও এদিক-ওদিক হাতড়ে বেড়াচ্ছে। কখনো জেলে বন্দি সুপারি কিলারদের উপর নজর দিচ্ছে, কখনো তদন্তে অন্য রাজ্যে ছুটে যেতে হচ্ছে। অন্য রাজ্যের জেলে বন্দি পেশাদার খুনিদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া শুরু হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, চন্দ্রনাথকে যেভাবে খুন করা হয়েছে, যে কায়দায় খুন করা হয়েছে, তাতে পেশাদার খুনিরা এ কাজে জড়িত।
বিশেষ তদন্তকারী দলের শীর্ষে রয়েছেন সিআইডি-র ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তা। এ ছাড়া, বারাসত পুলিশের সদস্যেরাও তদন্তকারী দলে রয়েছেন। রয়েছেন এসটিএফ, সিআইডি-র কর্মকর্তারাও। এখন পর্যন্ত পুলিশ চন্দ্রনাথকে খুনে ব্যবহৃত একটি চারচাকার গাড়ি, দু’টি বাইক বাজেয়াপ্ত করেছে । ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছিল ফাকা কার্তুজের খোল ও, তাজা কার্তুজ।
বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে নিজের আবাসনের সামনে খুন হন চন্দ্রনাথ। তার গাড়ি দাঁড় করিয়ে বাইক আরোহী দুষ্কৃতীরা পর পর গুলি চালায়। ঝাঁঝরা হয়ে যান শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক। তার গাড়ির চালকও গুলিবিদ্ধ হন। আপাতত তিনি গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
