বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের দ্বাদশ আসরে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আচরণবিধির বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে খেলোয়াড়, দলীয় কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মিলিয়ে ৪ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিসিবি। অভিযোগের জবাব দেয়ার জন্য তাদের দুই সপ্তাহ সময় দেয়া হয়েছে বলে বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে জানানো হয়েছে, কথিত বেটিং-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, দুর্নীতিমূলক যোগাযোগ, কোডের ৪.৩ ধারার অধীনে জারি করা ডিমান্ড নোটিশ মানতে ব্যর্থতা, প্রাসঙ্গিক যোগাযোগ ও তথ্য গোপন বা মুছে ফেলা এবং নির্ধারিত দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা এর তদন্তে অসহযোগিতা। অভিযুক্তরা হলেন চিটাগং রয়্যালসের লজিস্টিক ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সহ–মালিক মো. তৌহিদুল হক, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার ও সিলেট টাইটানসের টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী। এছাড়া বিসিবি তাদের ‘এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র আওতায় সামিনুর রহমানকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করে। বিপিএলে দ্বাদশ আসরে তিনি চট্টগ্রাম রয়্যালসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিপিএলের ৯ম, ১০ম ও ১১তম আসরসহ একাধিক আসরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত দুর্নীতিমূলক কার্যক্রমের তদন্তের পর তার ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
দ্বাদশ বিপিএলের বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান পরামর্শক অ্যালেক্স মার্শাল। আজ বিপিএল নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অন্তবর্তী সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকবে, তবে পরবর্তী নোটিস না দেয়া পর্যন্ত তারা ক্রিকেটীয় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন।
বিপিএলে ফিক্সিং কাণ্ড
ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকসহ সাময়িকভাবে বহিস্কার ৪ জন
স্পোর্টস রিপোর্টার
খেলা
২ মাস আগে
৭ মে (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ৭ঃ২১ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
