তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়

অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়

ফন্ট সাইজ:

তারেক রহমান। বিএনপি’র চেয়ারম্যান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বিলেতে ১৭ বছর কেমন ছিলেন? কীভাবে ছিলেন? কেনইবা তাকে বিলেতে যেতে হলো- তা নিয়ে অন্তহীন কৌতূহল। কখন, কীভাবে ও কারা তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এবং অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল তা দীর্ঘ সময় ধরে অজানাই ছিল।

সামপ্রতিক এক অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১/১১-এর সময় ২০০৭ সনের ৭ই মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয় ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে। কারা গ্রেপ্তার করেছিলেন, কীভাবে করেছিলেন তার একটি বয়ান রয়েছে প্রাপ্ত অনুসন্ধানে।

এতে জানা যায়, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে কর্নেল (অব.) ইমরান মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই গ্রেপ্তার করে ডিজিএফআই-এর জয়েন্ট
ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যান। জেনারেল মইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম আমিনের উপস্থিতিতে আর্মি হেড কোয়ার্টারে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মেজর ইমরানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন রানার ও একজন ড্রাইভার নিয়ে তিনি মইনুল হোসেন রোডস্থ খালেদা জিয়ার বাসভবনে উপস্থিত হন। এ সময় বাসভবনের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া উপস্থিতি ছিল। মেজর ইমরান বাসভবনের মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করে বাড়ির ভেতরে নিজ গাড়িতেই অবস্থান নেন।

আনুমানিক তিন ঘণ্টা পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে বের হলে মেজর ইমরান তাকে নিয়ে গাড়িতে উঠেন। নিয়ে যান নির্ধারিত গন্তব্যে। কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর মেজর ইমরানের সঙ্গে থাকা রানার তারেক রহমানের মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন। এ সময় তারেক রহমান জানালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মেজর ইমরান তা নাকচ করে দেন।

এরপর সিটিআইবি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তারেক রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সিটিআইবি’র তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশেই অন্য কর্মকর্তারা বিশ্রী ভাষায় তারেক রহমানকে গালিগালাজ করেন। জেআইসিতেই তারেক রহমানকে তিন-চারদিন রাখা হয়। সেখানে তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোখ বেঁধে রাখা হয়। হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে নির্যাতন করা হয়। দীর্ঘসময় একটানা তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। যা ছিল অমানবিক, বর্বরোচিত।

তারেক রহমানকে দুইবার জেআইসিতে আনা হয়। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে টানা কয়েকদিন জেআইসিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুর রব খান তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দারের নির্দেশে তারেক রহমানের কাছ থেকে একটি জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। যে জবানবন্দিতে তারেক রহমান তার ভুলের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চান বলে দাবি করা হয়।

এই সময় কারা কারা উপস্থিত ছিলেন সেই তথ্যও বেরিয়ে এসেছে সামপ্রতিক এক অনুসন্ধানে। চারজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা সারাক্ষণ উপস্থিত থেকে এই জবানবন্দি আদায় করেন। এর মধ্যে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জাহিদ হোসেন ও মেজর (অব.) মনির। নির্যাতন চালিয়ে তারেক রহমানকে অনেকটা পঙ্গু করে ফেলা হয়।

স্বাভাবিকভাবেও তিনি হাঁটাচলা করতে পারতেন না। তার ওপর নির্যাতনের একটি কাহিনী অনুসন্ধানী রিপোর্টে সন্নিবেশিত রয়েছে। এতে বলা হয়, বর্তমানে গ্রেপ্তারকৃত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ সম্পর্কে একটি জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে তারেক রহমানের নানি মারা যান। এ সময় তাকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। সে সময় জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রত্যক্ষ করেন, তারেক রহমান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। তখন তিনি জানার চেষ্টা করেন- কীভাবে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

পারিবারিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে পারেন ডিজিএফআই-এর অফিসাররা তার ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন। এতে তিনি বিচলিত হয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের কাছে জানতে চান- কেন এই নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

জেনারেল মাসুদ তার জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে তার অনেক দূরত্ব তৈরি হয়। নির্যাতনের সময় তারেক রহমানকে কীভাবে রাখা হয়েছিল তার একটা বর্ণনা পাওয়া গেছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, জেনারেল (অব.) এটিএম আমিনের নির্দেশে এই নির্যাতন চালানো হয়। তার নির্দেশে তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

ওয়ারেন্ট অফিসার ফজলু জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ব্রিগেডিয়ার আমিন তাদেরকে বলেছেন- পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঝুলন্তই থাকবে। এক পর্যায়ে সিলিং থেকে তিনি পড়ে যান এবং কোমরে প্রচণ্ড আঘাত পান। বছরের পর বছর তারেক রহমানকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। এসব ঘটনায় সাত পদস্থ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে অনুসন্ধানে।

এই অফিসাররা হলেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন (তৎকালীন সিটিআইবি’র পরিচালক), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী (তৎকালীন সিটিআইবি’র পরিচালক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছের চৌধুরী (তৎকালীন জেএসও-এক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান (তৎকালীন জেআইসি অধিনায়ক সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. ফরিদ উদ্দিন (তৎকালীন জেএসও-১) এবং মেজর (অব.) মনির (তৎকালীন জেএসও-২, সিটিআইবি)।

জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেছেন, তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না। জেনারেল মইন তাকে অন্যত্র পোস্টিং দিয়েছিলেন। পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারেক রহমান তার নিকটাত্মীয় বলে জেনারেল মইন তাকে দূরে রেখেছিলেন- এটাও দাবি করেছেন জেনারেল মাসুদ। তারেক রহমানের সঙ্গে জেনারেল মাসুদের কেন দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তারও বর্ণনা দিয়েছেন জিজ্ঞাসাবাদে। বলেছেন, অপারেশন ক্লিন হার্টকে কেন্দ্র করেই এই দূরত্ব তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তারেক রহমানকে বলপূর্বক দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। এর আগে একটি অঙ্গীকারপত্র সই করিয়ে নেয়া হয়।

দেওয়ান জামাল নাসের

২ মাস আগে

বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হউক,এবং কেন উঁনাকে নির্যাতন করা হয়েছিল তাও দেশবাসীকে জানানো দরকার বলে মনে করি।

Mohammad faruk

২ মাস আগে

It is not right way give Risk life punishment to innocent person.. now we want to see how much take action with all suspect officer... Find them and arrest as soon as possible... How dangerous....

Mohammad Ali Refai

২ মাস আগে

অথচ তারেক রহমান একজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তার সন্তান। যার সবচে বড় পরিচয় তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সরাসরি রণাঙ্গনে যুদ্ধ করা সেক্টর কমান্ডার। তারেক রহমানের মা বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের মাটি ও মানুষের নেত্রী। ছিলেন আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন কঠিন কণ্ঠস্বর। জিয়াউর রহমান দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে দেশী বিদেশী চক্রান্তকারীদের হাতে জীবন দিয়ে গিয়েছেন। খালেদা জিয়া হয়েছেন উচ্ছেদের শিকার। বানোয়াট মামলায় কারা নির্যাতিত। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা স্রোত ছিল যেন তার ই প্রায়শ্চিত্তের বোবা চেষ্টা। যেমনটা পেয়েছিলেন জিয়া ও। সেই তাদের সন্তান তারেক রহমানকে যারা দেশী বিদেশী শত্রুদের পরিকল্পনায় এমন ভয়াবহ নির্যাতন করলো সেসব কুলাঙ্গারদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিতে আর বিলম্বের সুযোগ নেই। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী তাদের অপকর্মের গ্লানি বইবে না নিশ্চিত।

Abdul Matin Sikder

২ মাস আগে

তারেক রহমানকে হত্যাচেষ্টা, এরপর জোর করে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠানো, নির্বাচনের নাটক করে রাষ্ট্রক্ষমতার অবৈধ জবরদখল, নির্মম বিডিআর হত্যা, হেফাজত হত্যা, নেতাকর্মীদেরকে গুম খুন, মামলা মোকদ্দমায় নিঃশ্ব সর্বস্বান্ত করা, খালেদা জিয়াকে বন্দী রাখা, রাষ্ট্রকে হিন্দু ক্ষমতায়ন করা, সবকিছু একই সুত্রে গাঁথা ছিলো, আর এসবের মুল উদ্যেশ্য একটাই ছিলো "এদেশের মুসলিম জনগনকে বন্দী রেখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা হরন করে দেশকে ভারতের অংগরাজ্য বানানো এবং হিন্দুরাষ্ট্রে পরিনত করা"। ভারতের সার্বিক সহযোগীতায় একের পরে এক এই জঘন্য অপরাধগুলি করেছে, দির্ঘ ১৯ বছর বাংলাদেশের মুসলিম জনগনকে বন্দী রেখেছে রাষ্ট্রদ্রোহী খুনি লুটেরা ভারতের দাসিবান্দী ডাইনী শেখ হাসিনা এবং তার অনুগত খুনিলীগের নেতাকর্মী, চাকরিজিবী ও ব্যাবসায়ী পরিচয়ধারী ভারতপালিত হিংস্র কুকুরের দল, যাদের বর্তমান পরিচয় জামাত শিবির ওরফে গুপ্তলীগ। সেই দেশোদ্রোহী অপরাধীরাই এখন ভিন্ন পরিচয়ে অনলাইন অফলাইনে খুব বড় বড় কথা বলতেছে, তারেক রহমানের পরিবারকে যা খুশি তাই অপমান করে যাইতেছে, দেশকে অস্থিতিশীল করার আপ্রান চেষ্টা করে যাইতেছে। আমার প্রশ্ন.?..সরকার কি এখনো চুপ থাকবে?... ২০০৭ সন থেকে আজ পর্যন্ত ওদের করে যাওয়া সকল অন্যায়ের কঠিন বিচার করতে হবে, তা না করলে মোনাফিক আর হিন্দু বাদে এদেশের ইমানদার সহজ সরল মুসলিম জনগনকে রক্ষা করা যেমন ভয়াবহ কঠিন হবে, তেমন দেশকেও ভারতের অনিষ্ট থেকে আর রক্ষা সম্ভব হবেনা। জনগনের বিজয় ধরে রাখতে চাইলে বাংলাদেশে ফেসবুকের নিয়ন্ত্রন করতে হবে অথবা বন্ধ করে দিতে হবে, গুপ্তলীগের অতিত খুজে সেই মোতাবেক কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, তা নাহলে দেশকে পরাধীন করবার চক্রান্ত কোন কিছুতেই থামবেনা।

মিজান

২ মাস আগে

সেই সময়ের কথা খুব মনে আছে। তারেক রহমানকে গ্রেফতারের সময় মা খালেদা জিয়া
গাড়ির পিছনে পিছনে এসেছিলেন। আহা ! কী কষ্ট উনি পেয়েছিলেন!
তারা শুধুমাত্র তারেক রহমানকেই নির্যাতন করেনি, বেগম খালেদা জিয়াকেও নির্যাতন করেছিল। দেশনেত্রী ও কোকোর অকাল মৃত্যুর জন্য এরা দায়ী। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের জন্যও এরা দায়ী। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার এর সাথে জড়িত। এরাই সবাই মিলে বাংলাদেশকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল। এদের বিচার হতেই হবে।

Mohammad Harun Rashid

২ মাস আগে

জেএস‌ও - নয়, জিএস‌ও হবে (General Staff Officer). দেশে অবাধ ও পূর্ণ গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে এই ধরণের অমানবিক ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

Sarder Kamal

২ মাস আগে

সামরিক বেসামরিক যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী তাদের বিচারের আওতায় আনা হোক। ভবিষ্যতের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক যেন এরকম ঘটনা যেন কেহ ঘটাতে সাহস না করে।

Mohammed Emdadul Hoq

২ মাস আগে

একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং যার পিতা একজন প্রেসিডেন্ট ছিল সেনাবাহিনী প্রধান ছিল এবং স্বাধীনতার ঘোষক ছিল তার ছেলেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এইভাবে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে যে সমস্ত সামরিক কর্মকর্তারা অন্যায় করেছেন এই সমস্ত কর্মকর্তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক

শফিক

২ মাস আগে

মাসুদ চৌধুরীর, জবানবন্দিতে তো প্রথম আলোর *মতিউর রহমান* ও ডেইলি স্টারের *মাহফুজুর রহমান* এর নাম এসেছে তাদের গ্রেফতার করা হোক। তাদের চাপা চাপির কারণে তারেক রহমান গ্রেফতার হয়েছে।

Md.Ekram

২ মাস আগে

Ai deshdrohi kolanger der amon kothin sasti dewa uchit jen future a r keo doshsahosh dekate na pare>>>

রুহেল

২ মাস আগে

এই মানুষ নামের অমানুষগুলো শুধু তারেক রহমানকেই নির্যাতন করেনি, একটি গণতান্ত্রিক দেশকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিলো এবং দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার বীজ বপন করেছিলো। এদের নামে রাষ্ট্রদোহীতার মামলা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হোক। যেন কেউ ভবিষ্যতে এরকম কিছু করতে চাইলে হাজারবার ভাবে।

Miah

২ মাস আগে

One day qhen history of Bangladesh will be written, brutally by armed forces and the manner in which Mr Rahman, PM rather than making a drama (unlike other leaders) how he kept his composure and calm. He could have easily claimed himself as victim and earn sympathy. Rather he is keeping cool about it. However I have my doubt whether the culprit will ever face punishment. I also hope that Mr PM take this experience and ensure justice while ruling as PM.

আজাদ

২ মাস আগে

বিনা অপরাধে জনপ্রিয় একজন নেতার উপর চালানো এই অমানবিক নির্যাতনের যেন উপযুক্ত বিচার হয়।

Susanta bikash barua

২ মাস আগে

বিভিন্ন সময়ের সেনাবাহিনির এমন নির্যাতনের বিচার ও একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। একই সাথে তারেক সাহেব দেশের অবকাটামো সার্বিক উন্নয়ন যেন চালিয়ে যায়। কারন দুই বছর দেশ স্থবির হয়ে আছে।

Kazi Asadur Rahman

২ মাস আগে

প্রতিবেশী দেশ ভারতের পরিকল্পনা ও তাদের এদেশীয় এজেন্টদের যোগসাজসে জিয়া পরিবারকে দেশের রাজনীতি থেকে উৎখাত ও আ'লীগকে দীর্ঘ মেয়াদে এদেশের ক্ষমতায় আসীন করতেই ওয়ান ইলাভেন হয়েছিল। এখন সময় এসেছে ওয়ান ইলাভেনের এসব কুশিলবদের খুঁজে বের করে বিচার নিশ্চিত করা।

Ahmed

২ মাস আগে

মইন উ আহমেদ কে যে কোন মূল্যে দেশে এনে জিজ্ঞেস করলে সব তত্ত্ব বেরিয়ে আসবে।

ইতরস্য ইতর

২ মাস আগে

আমিন,মইন,বারী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে,যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অপরাধী প্রত্যাপর্ণ চুক্তি রয়েছে, এ-ই চুক্তি আওতায় এদেরকে দেশে এনে উপযুক্ত বিচার করা হোক।

Mohsin

২ মাস আগে

যে সকল জানোয়ারের লেবাসে অফিসারগণ জেনে শুনে জনাব তারেক রহমানের উপর অমানবিক নির্যাতনের স্টিমরোলার চালিয়েছেন তাদের তাড়াতাড়ি গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে কারণ জনগণের জানার অধিকার আছে আসলে উনার উপর কোন ধরনের নির্যাতন হয়েছে এবং মেইন মাস্টার মাইন্ড কে ?

আব্দুল্লাহ

২ মাস আগে

শুধু এই ঘটনা না, অন্যান্য নির্যাতনের ঘটনাও তদন্ত করা কর্তব্য।

কাজী গিয়া উদ্দিন

২ মাস আগে

জেনারেল আমিন এবং ব্রিগেডিয়ার বারী এই দুই নরপিশাচ দানবদের কোন ভাবেইকি দেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করা যায় না ? তানাহলেতো এই বিচার মূল্য হীন হয়ে যাবে।

ফজলুল বারী

২ মাস আগে

বর্বরোচিত এ নির্যাতনের কাহিনী এ দেশের মানুষ কমবেশি জানেন । সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত আইন বর্হিভূত এ ঘৃণ্য অপরাধের সংঘটনের সাথে জড়িত সকলের পরিচয় উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি ।

একই সাথে, বিদেশে পালিয়ে ছিলেন বলে যারা অপবাদ দিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া জরুরি ।

Kazi

২ মাস আগে

তদন্তের দরকার আছে কি ? ভুক্তভোগী যখন দেশে এবং নির্ভয়ে সত্য ঘটনার বর্ণনা করতে পারবেন। এই ধরনের শাস্তির কথা আজ নয়, যখন অত্যাচার করা হচ্ছিল তখনই পত্রিকায় পড়েছিলাম।
আওয়ামীলীগের আমলে কিছু সামরিক কর্মকর্তাগণ তোষামোদ করার জন্য বিরোধীদলের উপর অকথ্য নির্যাতন করার ঘটনা অজানা নয়। এখন কি বিএনপি এসব ভুলে জুলাই আন্দোলন অস্বীকার করছে না ? এই জুলাই আন্দোলন না হলে এত অত্যাচার এর পর দেশ থেকে বিতাড়িত তারেক দেশে আসতে পারত না। অকৃতজ্ঞ বিএনপি শীর্ষ নেতারা জুলাই সনদ সংসদে পাশ করে নি। বিশ্বাস ঘাতকতা করছে জুলাই শহীদদের রক্তের সঙ্গে।

আব্দুল্লাহ

২ মাস আগে

এক্কেবারে হক কথা বলেছেন। রাজনশ্রেণীর উপর হওয়া অন্যায়ের শাস্তি দ্রুততার সাথে নিশ্চিত করার সাথে সাথে সাধারণের উপর হওয়া অন্যায়ের শাস্তিরও বিধান করা কর্তব্য।

অনন্যা

২ মাস আগে

কাজী সাহেব। ফ্যাসিস্ট হাসিনার গোটা রাজত্বকালে তার পক্ষে চামচামি করলেন। এখন জুলাই সনদ নিয়ে আপনার কলিজা ফাটার কারণ কী? আপনিতো মহাগুপ্ত। এখানে সবাই মন্তব্য করছে একটি অমানবিক নির্যাতন নিয়ে। আপনি সেখানে বিএনপি’র বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? আপনিতো নিজেকে অনেক জ্ঞানী মনে করেন। তাহলে বলুন পৃথিবীর কোথাও কী এমন গণভোট হয়েছে, যেখানে হ্যাঁ-তে টিক চিহ্ন এবং না-তে ক্রস চিহ্ন দেয়া থাকে? আনসাররা শিখিয়ে দেয় টিক চিহ্নতে সিল মারেন। সরকার শতশত কোটি টাকা ব্যয় করে হ্যাঁ এর পক্ষে প্রচারণা চালায়? নোট অব ডিসেন্ট সহ স্বাক্ষর নিয়ে, নোট অব ডিসেন্ট ছাড়া আদেশ জারি হয় এমন প্রতারণা, বিশ্বাসঘাতকতার নজির দেখাতে পারবেন। কথা বলার আগে আয়নায় নিজের চেহারা দেখে নিয়েন। তাহলে যে জানোয়াররা তারেক রহমানকে এমন নৃশংসভাবে নির্যাতন করেছে। বিশেষ করে দেশদ্রোহী বিহারী এটিএম আমিন। তার চেহারার সাথে মিল পাবেন।

আহমেদ

২ মাস আগে

কাজি সাহেব কের মধ্যে কি শান্তা ভাতে ঘী ঢেলে দিলেন 😃
মনে হয় আমার ভুল হবে না আমি আপনাকে ভালো করে চিনেছি আপনি যে এত বছর সোশ্যাল মিডিয়ায় গুপ্ত ছিলেন তা আমি জানি। শুনেন কাজি সাহেব আপনি শিক্ষিত মানুষ আসুন ফালতু মনমানসিকতা বাদ দিয়ে দেশ কে কি ভাবে দূর্নীতি মুক্ত করে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়া যায় এই চিন্তা করি। পাঁচ বছর পর পর ভোটের সিষ্টেম আছে এই পাঁচ বছর আমরা দেখি তারেক রাহমান কি ভাবে দেশ পরিচালনা করেন। দেশ পরিচালনায় ব্যার্থ হলে ভোটের মাধ্যমে আমরা উনাকে বিদায় দিব।

Abdul gafur

২ মাস আগে

সঠিক তদন্তর মাধ্যমে এদেরকে কঠিন বিচারের মুখোমুখি করা এই মুহূর্তে প্রয়োজন, ভবিষ্যতে আর কোন সেনাবাহিনীর অফিসার যাতে কোন দেশদ্রোহী কাজে লিপ্ত হতে না পারে

Shihabuch sakib

২ মাস আগে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ১/১১-এর সময় যে বর্বরোচিত এবং অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, তা সভ্য সমাজের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যগুলো অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একজন নাগরিকের ওপর এমন নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ মদদে এই ধরনের কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রতিটি অপরাধীর সুষ্ঠু তদন্ত এবং কঠোরতম দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন দুঃসাহস দেখাতে না পারে।"

MD momtaz uddin

২ মাস আগে

যে সেনাবাহিনীকে আমরা দেশের জন্য গর্ব মনে করি, তাদের এই সমস্ত কর্মকান্ডের কারণে আজকে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার উচিত সঠিক তদন্ত করে এদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা

Abdul Halim

২ মাস আগে

What a brutality against the humanity !! All the culprits should be brought to book immediately and given them with exemplary punishment for their brutality and inhuman torture to our incumbent Prime Minister during 1/11 illegal government under Moin U Ahmed, after observing due process of the country's law, and if necessary by constituting a Special Tribunal.

হারুন আল রশিদ

২ মাস আগে

রাস্ট্র কতৃক কারো প্রতি অমানবিক নির্যাতন/ অমানবিক ব্যবহার ব্যক্তিগত সহ্য সীমায় আবদ্ধ থাকলে এর প্রতিকার দূরহ হয়। সে কারনে এমন অমানষিক ও অমানবিক নির্যাতনকারীদের উপযুক্ত সাজা নিশ্চিত করতে আক্রান্ত মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জনাব তারেক রহমান স্বেচ্ছায় আদালতে তাঁর সকরুণ বর্ননা দিন। তাঁর প্রতি এমন বর্বরতায় হিংস্র হায়নাগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে আগত দিনে ক্ষমতা পেয়ে আবরও বহু হায়নার পূনর্জন্ম হতে পারে।

Mohammad Harun Rashid

২ মাস আগে

একটি বিচারবিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

মনিরুর রহমান

২ মাস আগে

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত এদের ।

জাহেদ আনোয়ার

২ মাস আগে

সব অন্যায় ও অমানবিকতার সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে সাম্য ও নায্যতার ভিত্তিতে। ডিজিএফ আই কে কঠোর জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।

MA Fattah

২ মাস আগে

কত বড় নরপিশাচ ছিলো এরা!! ধিক!!"

Shah Alam Bhuiyan.

২ মাস আগে

যারা এই অমানবিক নির্যাতনের সাথে জড়িত তাদের প্রত্যেক কে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

প্রতিষ্ঠিত করা হোক আইনের শাসন।

মুহাম্মাদ শাহ্ আলম ভূঁইয়া।

MD MOHSIN MIAH

২ মাস আগে

যারা এই অমানবিক নির্যাতনের সাথে জড়িত তাদের প্রত্যেক কে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

প্রতিষ্ঠিত করা হোক আইনের শাসন।

Md Golam Haider

২ মাস আগে

য়ে বা যাঁরা ঐ নির্যাতনের সহিত জড়িত ছিলো তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হোক।

MD Khan

২ মাস আগে

মইনসহ ও উচ্চপদস্থ জেনারেলরা দেশদ্রোহী। এই উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা র’য়ের এজেন্ট। র’য়ের পারপাস সার্ফ করার জন্য এরা বাংলাদেশে নিযুক্ত ছিল। আল্লাহর লানত তাদের উপর। তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি ।

মন্তব্য করুন