সময়টা একেবারেই অনুকূলে নেই নেইমার জুনিয়রের। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়ার শঙ্কার মধ্যে নতুন বিতর্কে জড়ালেন সেলেসাও মহাতারকা। গত রোববার সান্তোসের অনুশীলনে ১৮ বছর বয়সী রবিনহো জুনিয়রের ওপর ‘শারীরিক হামলার’ অভিযোগ উঠেছে নেইমারের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্তও শুরু করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
ইএসপিএন এক প্রতিবেদনে জানায়, ঘটনার সূত্রপাত একটি ড্রিবলিংকে কেন্দ্র করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুশীলনে নেইমারকে কাটিয়ে রবিনহো জুনিয়র এগিয়ে যেতেই মেজাজ হারান নেইমার। ‘অসম্মানিত’ বোধ করে তিনি প্রথমে রবিনহোকে ল্যাং মেরে ফেলে দেন। এরপর শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। জল ঘোলা হয় তখন, যখন রবিনহো অভিযোগ করেন যে, নেইমার তাকে লক্ষ্য করে ‘অশালীন গালিগালাজ’ করেছেন এবং এক পর্যায়ে তার মুখে ‘জোরে থাপ্পড়’ বসিয়ে দিয়েছেন! এক বিবৃতিতে সান্তোস ক্লাব বলে, ‘ক্লাবের বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেই পেলে ট্রেনিং সেন্টারে নেইমার জুনিয়র ও রবিনসন ডি সুজা জুনিয়রের (রবিনহো) মধ্যকার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ক্লাবের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।’
সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা রবিনহোর ছেলে রবিনহো জুনিয়র এই ঘটনায় এতটাই মর্মাহত যে, তিনি ক্লাবে ‘নিরাপত্তার অভাব’ বোধ করছেন। এমনকি সান্তোসের সঙ্গে চুক্তি বাতিলেরও দাবি তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, নেইমারের প্রেস অফিস এ নিয়ে মুখ না খুললেও জানা গেছে, ঘটনার পর নেইমার ব্যক্তিগতভাবে রবিনহোর জুনিয়রের পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
নেইমার এক সময় রবিনহো জুনিয়রের বাবার সঙ্গে ব্রাজিল জাতীয় দলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলেছেন। আজ সেই সতীর্থের ছেলের সঙ্গেই তার এমন তিক্ততা ফুটবল বিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে।
