লেপার্ডসের কাছে ধরাশায়ী আবাহনী

জয়ে শুরু মোহামেডানের

লেপার্ডসের কাছে ধরাশায়ী আবাহনী

ফন্ট সাইজ:

ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের শুরুর দিনই চমকে দিয়েছে ঢাকা লেপার্ডস। মোহাম্মদ মিঠুনের নেতৃত্বে তারা হারিয়ে দিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডকে। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জাকির হাসানের ৭৪ রানের দারুণ এক ইনিংসে আবাহনীর দেয়া ১৮২ রানের টার্গেট ৫ বল হাতে রেখে তুলে নেয় লেপার্ডস, জয় পায় ৫ উইকেটে।

বৃষ্টির কারণে ২০ ওভার কমিয়ে ৩০ ওভারে নির্ধারিত ম্যাচে টস জিতে আবাহনীকে ব্যাটিংয়ে পাঠান লেপার্ডস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি আকাশী-নীল শিবিরের। ওপেনার সৌম্য সরকার খাতা খোলার আগেই মইন খানের বলে বোল্ড হন। মইনের বলে মাত্র ছয় রান করে ফেরেন জিসান আলম।

১২ রানে দুই উইকেট হারানো আবাহনীকে পথ দেখাতে থাকেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও মেহেরব হাসান। অঙ্কন (৩৮) এবং মেহেরব হাসান (৩৮) ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে শেষ দিকে আসল ঝড় তোলেন সাব্বির রহমান রুম্মন। মাত্র ২৯ বলে ২ চার ও ৫ বিশাল ছক্কায় ৫৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন সাব্বির। ৯ রান করে আউট হন মাহফুজ রাব্বি, রাকিবুল হাসান করেন শূন্য রান। ১ রান করে অপরাজিত থাকেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। মুলত সাব্বিরের ইনিংসেই ৮ উইকেটে ১৮১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দল।

ঢাকা লেপার্ডসের পক্ষে ২১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন মইন খান। ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ঢাকা লেপার্ডসের ওপেনার জাকির হাসান। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ব্যাটার জাওয়াদ আবরার (২৩) এবং সৈকত আলীকে (২৮) নিয়ে ছোট কিন্তু কার্যকরী জুটি গড়েন তিনি। জাকির ৬৬ বলে ৭৪ রানের এক ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন।

পরে অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ৪০ বলে ৩৭ রান করে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেন। শেষ দিকে জিশান আলম জোড়া উইকেট নিয়ে কিছুটা নাটকীয়তা তৈরির চেষ্টা করলেও ৫ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে লেপার্ডস। আবাহনীর হয়ে আটজন বোলার ব্যবহার করেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। জিসান ছাড়া মোসাদ্দেক, মাহফিজুর রহমান ও শেখ মেহরাব হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

এদিকে বিকেএসপিএর তিন নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। ৩৭ ওভারের ম্যাচে মোহামেডানকে জিতিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন এনামুল হক বিজয়। এই ওপেনারের ফিফটিতেই ১০ বল হাতে রেখে সিটির দেওয়া ১৯৫ রান ছুঁয়ে ফেলে দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ফিরে যাওয়ার আগে ৯ চার এবং ২ ছক্কায় ৮০ রান করেন বিজয়। শেষ দিকে ২৩ বলে ৩৬ রান করে মোহামেডানের জয় ত্বরান্নিত করেন ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন