পুলিশের পোশাকে আগের জামা বহাল করা হয়েছে শুধু প্যান্টের রং পরিবর্তন করে খাকি করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ ডিআইজির বাধ্যতামূলক অবসর রুটিন কাজ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। সোমবার সচিবালয়ে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির প্রথম সভা শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের অগ্রগতির বিষয় জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সারাদেশে এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যে বিদ্যমান পোশাক আছে এটা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট না এবং এটার যেটা দৃশ্যমান যে এই পোশাকটা আসলে ওয়াইডলি একসেপ্টেডও হয়নি। মানানসই না শুদ্ধ বাংলায়। সেজন্য পুলিশ বাহিনীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টা বিবেচনা করেছি যে এই ড্রেসটা কীভাবে হয়। তিনি বলেন, আমরা একটা ঐতিহ্যবাহী ড্রেস যাতে দেওয়া যায় সেটাও বিবেচনা করেছি। আগের শার্ট যেটা কি বলবো, ওপরের অংশ আগে যেটা ছিল মেট্রোর জন্য এবং সারাদেশের জন্য, সেটা আমরা বহাল রেখেছি। তবে প্যান্ট, পায়জামা সেটা আমরা খাকি ড্রেস দিয়েছি। এই হিসেবে তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে একটা গ্রহণযোগ্য পোশাক হিসেবে দিয়েছি। সেটা তাদের পরিধান করতে আর কিছুদিন সময় লাগবে। কারণ এটা প্রস্তুতির বিষয় আছে, কাপড় প্রোডাকশনের বিষয় আছে, জামার বিষয় আছে। এটা এখনো আমরা অফিসিয়ালি ঘোষণা করিনি তবে আমরা সিদ্ধান্ত দিয়েছি। আজ ঘোষণা দিলাম।
একজন সাংবাদিককে গতকাল বিদেশে যেতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আচ্ছা আমি বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখি।
পুলিশের ১৬ জন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিয়োগ, বদলি, প্রমোশন বা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন— এগুলো মন্ত্রণালয়ের রুটিন কাজ। এগুলো চলছে। এটার কোনো টাইম লিমিট নেই। এটা প্রতিদিনকার কাজ। যাদের অপসারণ করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ বা প্রমাণ পেয়েছেন কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এগুলো মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হয়। কারো প্রতি যেন অবিচার না হয় আমরা সেভাবে দেখেছি।

শান্ত চৌধুরী
১ মাস আগেপুলিশ সদস্যদের পোশাক নিয়ে কি বলবো ভেবেই পাইনা। সরকার পুলিশ বাহিনীর সংস্কার, জন বান্ধব এবং আন্তর্জাতিক মানের বাহিনীর দিকে নজর না দিয়ে , পোশাক নিয়ে ব্যস্ত। পোশাক দিয়ে কি এদেশের মানুষ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ????