আইন ভাঙলে মামলা যাবে বাসায়

সড়কে সিসি ক্যামেরা

আইন ভাঙলে মামলা যাবে বাসায়

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় লাল-সবুজ সিগন্যাল লাইটের পর এবার ঢাকার মোড়ে মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় এসব ক্যামেরার সামনে কেউ সড়কের আইন অমান্য করলেই সরাসরি ডাকযোগে মামলার নোটিশ চলে যাবে গাড়ির রেজিশট্রেশনকারীর বাসার ঠিকানায়। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে হাজিরা না দিলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে। গতকাল ডিএমপি (ভারপ্রাপ্ত) কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন।

তবে নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকরা ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেয়া হলো।

কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।

saon

২ মাস আগে

Shaymoli, Ena, Hanif Bus er Driver der 'Valoo vhabea' Gari Chalanoo Uchit.

saon

২ মাস আগে

Matal, Chitter Driver der Sasti dewa ki Hocca ?

Man

২ মাস আগে

Onek Puraton, Lokkor-jhokkor Bus 'Batil' kareen.

Shoaib

২ মাস আগে

Why registered mail ? why not Email or SMS to mobile? BRTA has those information. From my experience they actually do not deliver those registered mail instead they keep the receipt in file as evidence (what I had faced from NBR) and wait to cross the deadline to respond and put the accused in more tougher legal position for not respond in due time and do business. Come on it is digital age.

মন্তব্য করুন