ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের দাবিতে শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে সামনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উপদেষ্টা মেরাজ মিয়া সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল। বক্তব্য রাখেন ছাতকের নোয়ারাই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মো. জাহিদ নুর, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সম্পাদক মাস্টার মো. সুলতান চৌধুরী, জহির আলী, ফারুক আহমদ প্রমুখ।
এ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ওসমানী ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বকুল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরে আসায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, জাতীয় মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী বাংলাদেশের স্বাধীনতাসহ এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে কোনো মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।
ঠিক একইভাবে বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানীকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, বঙ্গবীর ওসমানী ছিলেন সৎ ও আদর্শের রাজনীতির অগ্রপথিক। মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশিত ভূখণ্ড স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ লাভে অসামান্য অবদান রেখেছেন ওসমানী। তাই আমরা দাবি জানাচ্ছি মহান দুই নেতা মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের জোর দাবি জানাই।
