আমরা এমন গাড়ি চালাচ্ছি, যার পার্টস চুরি হয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

আমরা এমন গাড়ি চালাচ্ছি, যার পার্টস চুরি হয়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

আমাদের সরকার জনগণের নিয়োগপ্রাপ্ত একটা ড্রাইভার হিসাবে মালিক এবং অংশীজনদের কথা বিনয়ের সঙ্গে মনোযোগ দিয়ে শোনার চেষ্টা করছে। গাড়িটা ভুল ড্রাইভারদের খপ্পরে পড়েছিল। যার নানান রকম পার্টস চুরি হয়েছে। ইঞ্জিন নষ্ট হয়েছে। এমন একটা অবস্থা, কোনো উদ্যোগ নিতে গেলেও যেমন সমালোচনার মধ্যে পড়তে হবে, উদ্যোগ না নিলেও সমালোচনার মধ্যে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী মো. জহির উদ্দীন স্বপন।

‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস- ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র যখন একটা বিজ্ঞান- একটি রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর জনগণের মনোজগতটা বোঝার জন্যই তাকে একজন বিজ্ঞানী হতে হয়। এটি জনগণের ভূত-ভবিষ্যৎ এবং বর্তমানকে নিশ্চিত করার একটা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিজ্ঞান। ক্ষমতার মধ্যে এমন কিছু ভাইরাস থাকে। এ ব্যাপারে যদি রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দিয়ে আগে থেকে এন্টিভাইরাস দেয়া না থাকে, তাহলে নতুন ভাইরাস দেবতাকেও কিন্তু শয়তানে পরিণত করতে পারে।

তিনি বলেন, আমাদের মতো একটা নবীন সরকারকে যখনই আপনারা কোনো পরামর্শ দেবেন অথবা ধমক দেবেন তখন কিন্তু একটু বুঝে দেবেন যে, আমরা কিন্তু এখনো বিধ্বস্ত একটা গাড়িতে। সরকার কর্তৃত্ব প্রকাশ করতে চায় এটা যেমন সত্য, অনেকে খুব জঘন্যভাবেও করেছে। একই সময় এটাও কিন্তু সত্য যে, এই গণমাধ্যমের শিল্পের মালিক পক্ষ গণমাধ্যমের ক্ষমতাকে তার অন্য ব্যবসার কাজে লাগিয়েছেন। সেখানে সম্পূর্ণ একটা নতুন এজেন্ডা কাজ করেছে। গণমাধ্যম সম্পর্কে যে একটা সর্বসম্মত শ্রদ্ধাভাজন জনমত, সেটাকে কিন্তু তিনিও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন। সরকার যেমন জোর করে ক্ষমতা রক্ষা করার কাজে লাগিয়েছেন, অনেক মালিকরাও কিন্তু এটাকে কাজে লাগিয়েছেন তার বিদেশ পাচারের টাকা অথবা অন্য অবৈধ উপায়ের টাকাকে বৈধতা দেয়ার জন্য । অথবা ব্ল্যাকমেইলিং ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি সবার কাছে উন্মুক্ত একটা আহ্বান জানাবো যে, লেটস কাম টু আন্ডারস্ট্যান্ড- আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং এখানকার সমাধানটা নিশ্চয় যান্ত্রিক হবে না। মুক্ত তথ্য বিনিময়ের এই যে ইকোসিস্টেম যেটা আমরা সবাই আশা করি, চাই। সভ্য দেশগুলোতে তাই হয়েছে। আমরা যখন নর্ডিং কান্ট্রিকে আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত হিসেবে হাজির করি। তখন কিন্তু এ কারণেই হাজির করি যে, তারা এরকম একটা অবাধ তথ্য প্রবাহের জায়গাও তৈরি করেছেন, আবার অবাধ তথ্য প্রবাহ সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না এমন একটা রেগুলেটরি সিস্টেমকেও তারা ইনস্টিটিউশনালাইজড করেছে। দুটাই কিন্তু তারা অর্জন করেছেন। তরুণ প্রজন্মকে বুঝতে হবে- ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মিলিয়ে কীভাবে ক্রিয়েটিভিটি প্রাকটিস করতে পারি এবং সম্পদ হতে পারি।

Jalal Ahmed

২ মাস আগে

চুরি যাওয়া পার্টসগুলো নতুন করে লাগানোর ব্যবস্থা করে গাড়িটি সচল করুন, দেখবেন আবার ইঞ্জিনটা যেন বেচে না দেয়....

মন্তব্য করুন