রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রেসিডেন্ট

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: প্রেসিডেন্ট

ফন্ট সাইজ:

প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘আজ যে রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি—তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারা সমুন্নত রেখে শ্রমিকদের একাধিক সমাবেশে শ্রমিক সমাজের সঙ্গে একত্ব ঘোষণা করেন।’ শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘আজ মহান মে দিবস। শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগ ও সংহতির এক ঐতিহাসিক দিন। শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার গৌরবের দিন। এই গৌরবময় ঐতিহাসিক দিনে আমি সভ্যতার কারিগর, উন্নয়নের অগ্রনায়ক, অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিক সমাজকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

শ্রমিক দিবসের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ১৮৯৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পুলিশ গুলি চালালে অনেক শ্রমিক হতাহত হন। শ্রমিকদের এ আত্মত্যাগ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সূচিত হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার নব অধ্যায়। আমি সেই আত্মত্যাগ কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি ও তাদের অমর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করি আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম বিভিন্ন সময়ে শ্রমিক অধিকার আন্দোলন ও সম্প্রতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতিত আহত শহীদ শ্রমিক ভাই বোনদের।’

প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই হলো দেশের উন্নয়নের মূল কারিগর। দেশের শিল্প-কলকারখানা, কৃষি, পরিবহন, গৃহকর্ম ও নির্মাণসহ প্রতিটি খাতে তাদের নিরলস পরিশ্রম আমাদের সমাজ অর্থনীতি, সভ্যতা ও উন্নয়নকে বেগবান ও সমৃদ্ধ করছে। প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিশাল রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামে যে আয় হয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। এটাই আমাদের অর্থনীতির প্রাণশক্তি।’

বীরউত্তম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি মমত্ববোধের কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা হয়তো জানেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি (জিয়াউর রহমান) মে দিবস উপলক্ষে প্রথম জনসমাবেশে গর্বের সঙ্গে নিজেকে একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দেন। তার প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি ও সংস্কার শ্রমকল্যাণের ভিত্তিতে ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেছে। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশের বাংলাদেশি শ্রমিক প্রেরণের ব্যবস্থা করেছিলেন। এই উদ্যোগই পরবর্তীতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের নতুন যুগের সূচনা করে।’

Karim Khan

২ মাস আগে

স্বৈরাচারী, খুনি, ভারতের দালাল হাসিনার দোষর বিএনপির পা চেটে আর কতদিন রাষ্ট্রপতি থাকবে।

Nasiruddin bhuiyan

২ মাস আগে

জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনামলের পুর্ব থেকেই ইসলাম গুরুপ, BDC, মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশী শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিল ।

Hedayetullah

২ মাস আগে

মন্তব্য করুন, কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন! এই অপশন দিয়ে আবার যদি কারো মন্তব্য না ছাপেন সেটা কেমন দৈত নিতি হলো না। বলেছিলাম কেন মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের রিমিটেন্সের ব্যাপারে কি কোন অবদান ছিল না।

Hedayetullah

২ মাস আগে

রিমিটেন্সের ভিত্তি না হয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্থাপন করেছিলেন। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের কি এতে কোনই অবদান নাই।

Rafiqulislam

২ মাস আগে

এটা যে ক্ষমতা ক্ষমতাসীনদের চাটুকারিতা বুঝাটা কোন কঠিন বিষয় নয়। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে এ ধরনের বক্তব্য কি দিয়েছিলেন? না দেন নাই।

Nadim Ahammed

২ মাস আগে

It's a very dangerous situation that a number one corrupted person is saying something about world's number one ranked honest and sincere President of Ziaur Rahman SIR.

Amirswapan

২ মাস আগে

আজ যদি হাসিনা ক্ষমতায় থাকতো তবে এই রাষ্ট্রপতি বলতো রেমিটেন্স ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শেখ মুজিবর রহমান।কিন্তু এটা রাষ্ট্রপতির কিছু করার নেই,তাকে স্লিপে যা লিখে দেওয়া হয় তাই শুধু সে জাতির সামনে পাঠ করে।অতএব আমরা এখান থেকে বের হতে চাই এবং এটা সম্ভব জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে॥

মন্তব্য করুন