আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি—তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা

আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি—তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন হতে দেয়া হবে না

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আসন্ন বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীদের প্যানেলকে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে কোনো অবস্থাতেই নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগপন্থী প্রবীণ আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে তারা এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মিছিলটি আদালত প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় তারা শেখ হাসিনা-শেখ হাসিনা ও জয় বাংলা বলে মানি না মানব না বলে স্লোগান দেয়।

এর আগে গত সোমবার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে মনোনয়ন জমা দেয়া হলেও নির্বাচনে তাদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না বলে বারের তলবী সভায় সিদ্ধান্ত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ভবন প্রদক্ষিণ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের মনোনয়নপত্র গণহারে বাতিল করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়েছে, যা অগঠনতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক।

তারা বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সকল প্রার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে এবং আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীদের ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।

সমাবেশে নেতৃত্ব দেন অ্যাডভোকেট মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রবিউল আলম বুদু, ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন ও আম্বিয়া রেজা বুলবুলসহ শতাধিক আইনজীবী অংশ নেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর আজই প্রথম প্রকাশ্যে মিছিল সমাবেশ করলেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। কিছুদিন আগেও সমাবেশ থেকে আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আহ্বান করা হয়েছে।

নিশু

২ মাস আগে

নির্বাচন করতে দেয়া হোক।

আমজনতা

২ মাস আগে

প্রকাশ্যে সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনে খু*নী হাসিনার নামে শ্লোগান দেয়ার সাহস এরা কিভাবে পায়! এই অপরাধে এই অপকর্মের হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরী। যেসব কুলাঙ্গার দীর্ঘদিন যাবৎ ফ্যাসিস্টের তল্পিবাহক ছিল, ফ্যাসিস্টের প্রতিটা অপকর্মের আইনগত বৈধতা দিয়ে তার হাতকে শক্তিশালী করেছে, তারা দেশ-জাতি এবং সভ্যতার শত্রু। এদের প্রতি ন্যূনতম অনুকম্পা নয়!

খোরশেদ আলম

২ মাস আগে

জণগণ কে জঙ্গি মনভাব পরিহার করতে হবে। সরকার কে গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। জণগণ ভোট দিলে নির্বাচিত হবেন না দিলে হবেন না। জণগণের মৌলিক অধিকার হরণ করে কেউ রক্ষা পাননি তারেক সাহেব আপনি ও চেষ্টা করুন না হয় ফলাফল আপনার ও ভালো হবে না।

নাগরিক

২ মাস আগে

বিগত ১৬-১৭ বছর কেউ যে নির্বাচন করতে পারেনি, তা কি এই আইনজীবিগণ জানেন?

Nahid

২ মাস আগে

বিচার না হওয়ায় এটাই হবে

আব্দুল হালিম

২ মাস আগে

নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামীপন্থী কুলাঙ্গারদের প্রকাশ্যে সমাবেশ করার অপরাধে দ্রত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হোক।

Muhammad Ali

২ মাস আগে

এদের গণধোলাই দেওয়ার দরকার।

লিমা

২ মাস আগে

এরা নির্বাচনে সুযোগ পায় কি করে?

মন্তব্য করুন