১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ের ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮ হাজার ৯০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ১৬ কোটি টাকা। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে নতুন ৫টি এবং সংশোধিত ৫টি। এছাড়া মেয়াদ বৃদ্ধির প্রকল্প রয়েছে ৪টি। তবে সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণের প্রকল্পটি বৈঠকে উঠানো হলেও পাস হয়নি। রোববার প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরিকল্পনা কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সভায় অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নগর এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প রয়েছে। অন্যান্য নতুন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে– ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ, ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ ইত্যাদি।
সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ৩৩টি প্রকল্প অবহিত করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- কুষ্টিয়া জেলার হিসনা ও সাগরখালী নদী পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রাজশাহী ও নাটোর জেলার বারনই নদী পুনঃখনন, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ, কক্সবাজার জেলার বাঁশখালী নদী পুনরুজ্জীবিত, দখলমুক্ত ও দূষণমুক্তকরণ, রংপুর জেলার আলাইকুড়ি নদী পুনরুজ্জীবিতকরণ প্রকল্প ইত্যাদি। এর বাইরে বেশিরভাগ প্রকল্পের সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি জানান, প্রকল্প গ্রহণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা স্পষ্ট-ব্যয়ে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং প্রতিটি খাতে ব্যয়ের যৌক্তিকতা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি প্রকল্পগুলো জনগণের জীবনে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সরকারের নির্বাচনি পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা, তা বিবেচনায় রাখতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।

Andalib
২ মাস আগেবর্তমান সচিবালয়ে নতুন ভবন তৈরি না করে, পূর্বাচলে সচিবালয় সরিয়ে নেয়া হোক। পূর্বাচল একটি অত্যন্ত পরিকল্পিত আধুনিক শহর । এখানের রাস্তাগুলো অনেক প্রশস্ত। শহরটির ২৫% জায়গা রাস্তার জন্য নির্ধারিত যা আন্তর্জাতিক মানের। সচিবালয়ের জন্য ভবন ও সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করার মতো প্রচুর জায়গা আছে এবং প্রয়োজনে আরো কিছু জায়গা অধিগ্রহণ করা যেতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশেই রাজধানীকে পুরনো ঘিঞ্জি শহর থেকে নতুন পরিকল্পিত শহরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমাদের জন্যও
এটি একটি সুযোগ দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের মূল কেন্দ্রটিকে একটি আধুনিক জায়গায় নিয়ে যাবার।