ছাত্রশিবির

শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতিতে যুক্ত হতে না পেরে সন্ত্রাস লেলিয়ে দেয়ার পরিণতি সুখকর হবে না

ফন্ট সাইজ:

ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ডাকসু প্যানেলে সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ডাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। প্রতিবাদে বলা হয়, শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্র রাজনীতির ধারায় যুক্ত হতে না পেরে সন্ত্রাস লেলিয়ে দেয়ার পরিণতি কারও জন্যই সুখকর হবে না। বৃহস্পতিবার সকালে এক বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানায় ইসলামী ছাত্রশিবির।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ‘গতকাল ২৩ এপ্রিল বিকালে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ডাকসু প্যানেলে সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের ফেসবুক আইডির সাথে এডিট করে আপত্তিকর ছবি সংযুক্ত করে তার বিরুদ্ধে উত্তেজনা ছড়িয়ে হত্যার হুমকি দিলে তিনি শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান থেকে উক্ত পোস্টের স্ক্রিনশটটি এডিটেড প্রমাণিত হয়। জিডি করতে গেলে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও তার সঙ্গীদেরকে শাহবাগ থানার অভ্যন্তরেই ছাত্রদলের স্লোগান দিতে থাকা নেতাকর্মীর অবরুদ্ধ করে হামলার চেষ্টা করে। তাদেরকে উদ্ধার করতে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, সূর্যসেন হল সংসদের ভিপি আজিজুল হক, হাজী মুহম্মদ মুহসিন হল সংসদের ভিপি সাদিক শিকদার, এজিএস আবদুল মজিদ, অমর একুশে হল সংসদের এজিএস উবায়দুর রহমান হাসিবসহ হল সংসদের একাধিক প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হন।’

আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানজুর হোছাইন মাহি, সেক্রেটারি লিটন আহমেদ সহ ক্যাম্পাসের সাংবাদিকরাও সেখানে উপস্থিত হন। শাহবাগ থানার ভেতরেই ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং বহিরাগত নেতাকর্মীরা একত্রে ডাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা চালায়।’

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা মনে করি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের নিকট স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, ক্যাম্পাসে দখলদারির রাজনীতি ফেরাতে মরিয়া হয়েই ছাত্রদল সরাসরি সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আহ্বান করবো, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। অবিলম্বে হামলাকারী ছাত্রদল নেতাকর্মীদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

নেতৃবৃন্দ সরকারকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্র রাজনীতির ধারায় যুক্ত হতে না পেরে সন্ত্রাস লেলিয়ে দেওয়ার পরিণতি কারো জন্যই সুখকর হবেনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসের সমুচিত জবাব দেবে।’

অনন্যা

২ মাস আগে

বাবা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে যারা এরকম মনোভাব পোষণ করে, তারা আর যাই হোক শিক্ষার্থী নয়। এদের স্থান বিশ্ববিদ্যালয় নয়, চিড়িয়াখানা, পাগলাগারদ অথবা জেলখানায়। তাদের পক্ষে যারা কথা বলবে তাদেরকেই সমুচিত জবাব দেবে ছাত্র-ছাত্রীরা। কেউ যদি মনে করে ডাকসু মানেই গোটা ছাত্রসমাজ তাহলে তারা ফ্যাসিস্ট হাসিনারই উত্তরসূরী।

জনতা

২ মাস আগে

শিক্ষার্থীবান্ধব রাজনীতি যদি এর নাম হয় তবে বলার কিছুই নাই। গুপ্ত মুনাফিকদের সাথে আমাদের অনেক কিছুর সংজ্ঞাই আলাদা। যেমন মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা। যে সব শিক্ষার্থী মা-বউ-মেয়েদেরকে নিয়ে এসব করতে পারে তারা শিক্ষার্থী হতেই পারে না। কতগুলো প্রমাণ চান আপনার ভাষায় যারা শিক্ষার্থী বান্ধব রাজনীতি করে। আমি দিবো। আপনাদের কী মা-বউ-বোন-মেয়ে নাই? এই অসভ্য কালচারের আপনি যদি সমর্থক হোন তবে আপনার মা-বউ-বোন-মেয়ের ছবি উন্মুক্ত করে দিন। চলুক অসভ্যতা!

Abul Kashem

২ মাস আগে

একদিকে দ্রব্য মূল্য নাগালের বাইরে। তেল নেই। সকালের দিকে গ্যাসের চাপ কম। রান্না ঘরে গৃহিণীর কান্না। তীব্র গরমে লোডশেডিং। ত্রাহিমধুসুদন অবস্থা। সরকার এসবের দিকে খেয়াল করছেনা। বাজারের লাগাম টেনে ধরতে ব্যর্থ। তাই কি লাগাম ছেড়ে দিয়েছে ছাত্র দলের। মানুষের নজর ভিন্ন দিকে ঠেলে দিতে। আওয়ামী লীগ সরকারও এরকম বহু চমক দেখিয়েছে। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। বিএনপি এতো বোকা ভাবতে পারিনি। ভবিষ্যৎ আল্লাহ মালুম।

মন্তব্য করুন