শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা

শাহবাগে ছাত্রদল-শিবির উত্তেজনা

ফন্ট সাইজ:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কয়েকজন সদস্য হামলা ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় হামলার মুখে পড়েন সাংবাদিকরা। শাহবাগ থানার সামনে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে হামলার সূত্রপাত হয়। এ সময় নিউ নেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সৌরভ ইসলাম এবং জাগো নিউজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. ফেরদৌসকে ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেয়া হয়। এক পর্যায়ে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। হামলায় আহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মানজুর হোসাইন মাহি এবং সাধারণ সম্পাদক লিটন ইসলাম।

এ ছাড়া সাংবাদিক সমিতির অন্তত ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন ডাকসু নেতা এবি জোবায়ের ও মোসাদ্দেক। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় বিজয় একাত্তর হলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির তিন সদস্য হেনস্তার শিকার হন।

এ সময় প্রাইম বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ইফতেখার সোহান সিফাতকে ভিডিও ধারণ করতে বাধা দেন ছাত্রদলকর্মী নাভিদ আনজুম নিভান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিফাত নিজের সাংবাদিক পরিচয় দিলেও নিভান তাকে ভিডিও ধারণে বাধা দিয়ে বলেন, ‘সাংবাদিক হলেই এখানে ভিডিও করা যাবে না।’ এ সময় সাংবাদিক সমিতির দুই সদস্য হেনস্তার শিকার হন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উপস্থিত ছাত্রদলের সিনিয়র নেতারা হস্তক্ষেপ করে নিয়ন্ত্রণে আনেন। ওদিকে রাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় শাহবাগ থানার সামনে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ঘটনাস্থলে নেতাকর্মীদের নিয়ে অবস্থান করছিলেন। ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা চেষ্টা চালাচ্ছিলেন।

Abul Kashem

২ মাস আগে

ছাত্রদল ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনীর মতোই আবির্ভূত হওয়া শুরু করেছে। জানিনা শেষ পরিণতি কি ছাত্রলীগের মতোই হয় কিনা।

মন্তব্য করুন