স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংবিধানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম যুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল ওয়ারেছ। একইসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীনতার মহানায়ক হিসেবে আখ্যায়িত করে গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। এছাড়া জিয়াউর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান আব্দুল ওয়ারেছ।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রেসিডেন্টের ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, আমি প্রথমেই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি স্বাধীনতার একমাত্র ঘোষক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর স্বাধীনতার অন্যতম নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ও আরেকজন নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রদূত, যিনি ১৯৭০ সালে জাতীয় নির্বাচনে বয়কট করে ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘ব্যালট বাক্সে লাথি মারো, পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করো’, সেই জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
এছাড়া তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদসহ সব বীর যোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
সংবিধানের ব্যাখ্যা এবং স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত বিষয়ে আপত্তি তুলে ধরে গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, সংবিধানে মহাঅসত্য রয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যায্যভাবে সংবিধানের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। কিন্তু সেই সংবিধানে এখনও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবকে রাখা হয়েছে। আমি নিন্দা করছি, তীব্র আপত্তি করছি। ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এখন পর্যন্ত কেন সংবিধানে লিপিবদ্ধ করা হলো না? কাজেই দাবি করছি, এই মেয়াদের মধ্যেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে সংবিধানে লিপিবদ্ধ করা হোক।

মহিবুল ইসলাম
২ মাস আগেবিদুৎ ঘাটতির আগে জনগণকে বাঁচান,বিদ্যুতে আন-কভার লাইন টেনে মানুষ মরা, বাঁশ,গাছ,প্রতি বৎসর একএকটা লোকের সিলেট ৪আসনের আওতাধীন গোয়াইঘাটে কভার ছাড়া বিদ্যুতের লাইন টেনে ঘরের উপর,বাঁশ ঝাড়ের ভিতর দিয়ে লাইন বাশ,গাছ কেটে উজাড় করছে।এখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।যাহাতে বিদ্যুৎ বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত হতে পারি।