পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টা থেকে শুরু হয়েছে। ভোট চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রথম
দফায় আজ পশ্চিমবঙ্গের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোটদান। ভোটের আগের রাতে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটলেও রেকর্ডসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে আজ শান্তিতেই ভোটগ্রহণ চলছে। এই দফায় মোট ১৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ১৬৭ জন। এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উৎসাহের সঙ্গে নারী ও যুবকদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলায় ভোট হবে। দক্ষিণবঙ্গে মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামে ভোটগ্রহণ চলছে। রাজ্যের অর্ধেকের বেশি আসনে এই ভোটে মূল যুযুধান দু’পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি উভয়েই ভোটারদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করবে।
আজ যে সব উল্লেখযোগ্য প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে তারা হলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, অগ্নি মিত্রা পাল, নিশীথ অধিকারী, তৃণমূল কংগ্রেসের গৌতম দেব, উদয়ন গুহ, পবিত্র করে, কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মৌসম নূর, আমি জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ূন কবীর।
খড়গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, প্রথম দফায় ১০০-র বেশি আসনে জিতবে বিজেপি। হূমায়ুন কবীর সকাল সকাল ভোট দিয়ে বলেছেন, বেজে উঠেছে পরিবর্তনের বাঁশি!
প্রথম দফার ভোটের ১৫২টি আসনের মধ্যে ২০২১ সালে তৃণমূল জিতেছিল ৯২টিতে। বিজেপির দখলে ছিল ৫৯টি আসন। পাহাড়ের একটি আসন পেয়েছিল নির্দল। কিন্তু লোকসভা ভোটের বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলে অনেক বদল ঘটেছে । ৯২ থেকে কমে তৃণমূলের এগিয়ে থাকা বিধানসভার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭টিতে। বিজেপি-ও ৫৯ থেকে সামান্য কমেছে। তারা এগিয়েছিল ৫৩টি আসনে। ২০২১ সালে যে বাম-কংগ্রেস ছিল শূন্য, তারা আবার গত লোকসভা ভোটে ১২টি বিধানসভায় এগিয়ে ছিল। এর মধ্যে কংগ্রেস ১১টি এবং বামেরা একটিতে। ঘটনাচক্রে, বাম-কংগ্রেসের এগিয়ে থাকা বিধানসভাগুলি তিনটি জেলায় সীমাবদ্ধ— মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুর। এই তিন জেলাতেই গত বিধানসভা ভোটে সর্বোচ্চ সাফল্য তৃণমূল কংগ্রেস। এই তিন জেলার ক্ষেত্রেই সংখ্যালঘু ভোট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

khokon
২ মাস আগেভারত উপমহাদেশে নরেন্দ্র মোদী একটি বিতর্কিত নাম। ভারত থাকবে কিন্তু মোদি থাকবে না কিন্তু তার ইতিহাস থেকে যাবে সেই পদ্মা মেঘনা থেকে গঙ্গা পর্যন্ত। নিজের দেশের জনগণকে ভোট দিতে বলছে, ওপর দিকে প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে বহাল রেখেছিল স্বৈরাচারের আধিপত্য। বাহ মোদি এগিয়ে যাও, হাসিনা পাপের প্রশ্চিত্ব পাচ্ছে তেমনি আবার সময় বলে দিবে কখন তোমার পালা ?