জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা আনতে চালু হয়েছে মোবাইল অ্যাপভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’। ঢাকার ২টি পাম্প দিয়ে শুরু হলেও পরে ৭টি পাম্পে চালু হয়। এবার এর কার্যক্রমের পরিধি আরও বিস্তৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। শনিবার ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা জেলায় ১৮টি পেট্রোল পাম্পে পাইলটিং কার্যক্রমের বিস্তার করা হচ্ছে। ঢাকা জেলার বাইরে আরও কয়েকটি জেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকায় মোটরসাইকেল চালকরা এই কার্যক্রমের আওতায় নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঢাকা মেট্রো, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম মেট্রো, বরিশাল, বরিশাল মেট্রো, খুলনা, খুলনা মেট্রো, রাজশাহী, রাজশাহী মেট্রো এবং ময়মনসিংহে নিবন্ধিত মোটরসাইকেল ‘ফুয়েল পাস’ বিডি সিস্টেমে নিবন্ধনের আওতায় আসবে। ফেসবুক পোস্টে ঢাকা জেলার মধ্যে ১৮টি পেট্রোল পাম্পের নাম ও অবস্থান বা কোন কোন এলাকায় সেগুলো রয়েছে, সে তথ্য তুলে ধরা হয়নি। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম সারা দেশের অন্যান্য জেলাতেও উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
চলমান পদ্ধতিতে জ্বালানি বিক্রির কারণে কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইন, যানজট, একই ব্যক্তি বা যানবাহনের একাধিকবার জ্বালানি নেয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ‘ফুয়েল পাস’ চালু হলে পুরো বিতরণ প্রক্রিয়া ‘ডিজিটাল রেকর্ডে’ আসবে এবং কেন্দ্রীয়ভাবে তাৎক্ষণিক নজরদারি করা যাবে বলে মনে করছে সরকার। এই পরিস্থিতিতে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়। কিউআর কোড স্ক্যান করে নির্ধারিত বরাদ্দ অনুযায়ী জ্বালানি নেয়ার এই ব্যবস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের উদ্যোগে চালু করা হয়।
গত গেল ৯ই এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদ গেটের সোনারবাংলা ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাস চালু করা হয়েছে। পরে মহাখালীর গুলশান সার্ভিস স্টেশন, শাহবাগের মেঘনা মডেল সার্ভিস পাম্প, নিকুঞ্জ এলাকার নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার এবং কল্যাণপুরের খালেক সার্ভিস স্টেশনসহ ৭টি পাম্পে ফুয়েল পাস দিয়ে জ্বালানি নিতে বলা হয়।
